• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে ৭৮০০০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে আমন

নিজস্ব প্রতিদেক / ৪৯৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
প্রতীকী ছবি

এম.এ আজিজ রাসেল:

কক্সবাজার জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ। ইতোমধ্যে আমনের বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করেছে কৃষকরা। এবার মোট ৭৮ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ লক্ষ ৪২ হাজার ৮৮ মেট্টিক টন চাল।

তারমধ্যে হাইব্রিড ১০ হাজার ১২৫ মে. টন, উফশী ২ লক্ষ ৮ হাজার ৭২৬ মে. টন ও স্থানীয় ৫ হাজার ৪৩৭ মে. টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যার গড় ফলন ধরা হয়েছে ২.৮৪ মে. টন।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয় মিলিয়ে চকরিয়া উপজেলায় ১৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ হাজার ১৯৫ মে. টন। এছাড়া পেকুয়ায় ৮ হাজার ৪০০ হেক্টও জমিতে ২৪ হাজার ১১১ মে. টন, রামু উপজেলায় ৯ হাজার ৪৮০ হেক্টও জমিতে ২৭ হাজার ২৭ মে. টন, সদর উপজেলায় ৮ হাজার ৯৮০ হেক্টও জমিতে ২৫ হাজার ২৭৭ মে. টন, উখিয়ায় ৯ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে ২৭ হাজার ১৯২ মে. টন, টেকনাফ উপজেলায় ১০ হাজার ৭৪০ হেক্টর জমিতে ২৯ হাজার ৫৩৭ মে. টন, মহেশখালী উপজেলায় ৮ হাজার ২৪০ হেক্টর জমিতে ২৩ হাজার ১৩৮ মে. টন ও কুতুবদিয়া উপজেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ১০ হাজার ৮১০ মে. টন আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

খুরুশকুল ও সদরের কৃষক আমান মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম ও চকরিয়ার কৃষক জাফর আলম বলেন, অধিকাংশ জমিতে বীজতলা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। কিছু জমিতে আমনের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক। দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের। শেষ হওয়া বীজতলা নিয়মিত পরিচর্যা করছে কৃষকরা। রোগ দমনে আগেবাগে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবুল কাশেম বলেন, এবার ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ায় ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিপাতে বিরি-৭৫ জাতের ধানের ভাল ফলন হয়। এ জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। গত বছর আমন চাষ হয়েছিল ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে। এবার জমির পরিমাণ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমন বীজতলায় বাকানি রোগ দেখা দিতে পারে। বাকানি রোগাক্রান্ত ধানের স্বাভাবিক চারা হালকা সবুজ, লিকলিকে, ও স্বাভাবিক চারার চেয়ে অনেকটা লম্বা হয়ে অন্য চারার ওপরে ঢলে পড়ে। আক্রান্ত চারাগুলো ক্রমান্বয়ে মারা যায়। আক্রান্ত চারার নিচের গিট থেকে অস্থানিক শিকড়ও দেখা যেতে পারে।

তিনি বলেন, বাকানি রোগ দমনের জন্য অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউপি বা নোইন দ্বারা বীজ অথবা চারা শোধন করা (১ লিটার পানিতে ৩ গ্রাম অটোস্টিন ৫০ডব্লিউপি বা নোইন মিশিয়ে তাতে ধানের বীজ অথবা চারা ১০-১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা)। আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে পুঁড়িয়ে ফেলতে হবে। বীজতলা হিসেবে একই জমি ব্যবহার না করা।।

বাংলাদেশ সময় ১৭৩৭ ঘণ্টা, ১৪ জুলাই ২০২০

আআর/আএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন