শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করনিয় কি? এবং বাংলাদেশের ছাত্র দের আন্দোলন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট থেকে উদ্ধার এর উপায় কি? এই ৭ টি বিষয়ে মনোযোগ দিলে আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে।
১. প্রথমে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে, কারণ এই মন্ত্রাণালয়ে এখনো সেই স্বৈরাচারের ধুসররা চাকরি অবস্থা আছে যে কোন সময় তারা এই বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গোপনীয় ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে ১০০%।
২. বাংলাদেশ সকল শিক্ষা বোর্ডে অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ব্যাক্তিদের দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন করে সাজাতে হবে, কারন এই বোর্ডের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে অফিস ঝাড়ুদার পর্যন্ত ঘুষের সাথে জড়িত।

৩. বাংলাদেশ সকল শিক্ষা বোর্ড কে আলাদা করে বিভাগ অনুযায়ী সম্পুর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার ব্যবস্থা করতে হবে, যেন এক বিভাগ অন্য বিভাগ এর সাথে কোন কিছুতে যেন মিল না থাকে। এতে করে কার চেয়ে কে বেশী ভালো করবে তার প্রতিদ্বন্দ্বীতা সৃষ্টি হবে, শিক্ষার মান উন্নয়নে এগিয়ে যাবে।
৪. বাংলাদেশ সকল জেলা শিক্ষা অফিসার নতুন করে পরিবর্তন করতে হবে। বাংলাদেশ সকল শিক্ষা অফিসার থেকে শুরু করে অফিস ঝাড়ুদার পর্যন্ত ঘুষের সাথে জড়িত, আপনি কখন বুঝবেন তারা ঘুষের সাথে জড়িত জানেন- একজন শিক্ষক যখন তার শিক্ষকতা পেশা শেষ করে তার পেনশনের টাকা নিতে যায় তখন বুঝতে পারবেন এই অফিসার দের কি অবস্থা। আর যখন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি এমপিওভুক্ত করতে যাবেন তখন তাদের আসল চেহারা সাথে নকল চেহারা দেখতে পাবেন।
৫. বাংলাদেশ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার যে এডহক কমিটির নামে যে কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে হবে এবং স্থানীয় এমপির সুপারিশে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। কারন আসল দুর্নীতি শুরু হয়েছে এই খানে থেকে এই কমিটি গুলো সাজিয়ে গুছিয়ে কারা পাঠিয়েছে জানেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক পাঠিয়েছেন। কারণ উনার স্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ জেনে না আসে এই কমিটিতে এবং এখনো অনেক প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচারের আমলে মানুষের ভোটের অধিকার চুরি করা প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন এই প্রধান শিক্ষক।
৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটা ছাত্রছাত্রীদেরকে সপ্তাহে একদিনের জন্য হলেও তিন ঘন্টার একটি ক্লাসে মোটিভেশনের মাধ্যমে নীতি নৈতিকতা, শিষ্টাচার, আদব কায়দা, দেশের সার্বভৌমত্ব ও দেশপ্রেম, ছাত্র শিক্ষকের মর্যাদা, প্রতিবেশীর হক সম্পর্কে আলোচনা মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীদের কে শিক্ষা দিতে হবে।
৭. দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার পরে প্রতিটা ছাত্র ছাত্রীদেরকে ৬ মাসের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা দেশপ্রেমের উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে অবগত হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সব সময় তারা সোচ্চার থাকবে।এটি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত একটি প্রস্তাব ছিল কক্সবাজার-৩ সংসদীয় আসন এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের।
লেখক ও পরামর্শক :
ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন
সাবেক সি-সহ সভাপতি : কক্সবাজার শহর ছাত্রদল।
সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক : কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল ।
আগামী কক্সবাজার শহর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।