• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পেকুয়ায় টইটং অঙ্কুর বিদ্যাপীটের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন পেকুয়া সদর মৌলভী পাড়া সমাজ কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি-শিব্বির, সাধারণ সম্পাদক – জাহেদ ১৬ মাসে নতুন করে দেশে এসেছেন দেড় লাখ রোহিঙ্গা ফ্লাইওভারে ছাত্রলীগ নেতার ঝুলন্ত মরদেহ রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন উখিয়া-টেকনাফে প্রজেক্ট অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস নোহা বক্সিসহ ২৮ হাজার ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার মহাজের পাড়ার জসিম ও সাইফুলসহ আটক ৪ পেকুয়ায় সংরক্ষিত বনে অবৈধ স্থাপনা : সংবাদ প্রকাশ করায় বন কর্মকর্তার হুমকি চকরিয়ার মাতামুহুরীসহ নতুন পাঁচ উপজেলা গঠন

সিআইপি ঈসমাইলের ‘হেরামখানায়’ মাদকের লেনদেন-ক্রসের সিদ্ধান্ত নিতেন ওসি প্রদীপ

নিজস্ব প্রতিদেক / ৮৯৭৮ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
ইনানীর রিম জুমেয়রা নামের এ বাংলোতে ওসি প্রদীপের ফূর্তি ও ক্রসফায়ার বাণিজ্যের জন্য গড়ে তুলেছেন হেরামখানা।

আজিম নিহাদ ও আরফাতুল মজিদ:

সারাদিন থানায় সময় কাটিয়ে সন্ধ্যা হলেই ইনানীর একটি বিশেষ ‘হেরামখানায়’ চলে আসতেন টেকনাফ থানার প্রাক্তন বিতর্কিত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। সেই হেরামখানায় বসেই ইয়াবার টাকা লেনদেন এবং ক্রসফায়ারের সিদ্ধান্ত নিতেন তিনি। সঙ্গে থাকতেন সিন্ডিকেটের সদস্যরাও।

পর্যটন এলাকা কক্সবাজারের ইনানীতে ‘রিম জুমেয়রা’ নামে একটি আলিশান বাংলো বানিয়েছেন দুবাই প্রবাসী সিআইপি মোহাম্মদ ঈসমাইল। রিম জুমেয়রা নামে ওই বাংলোতেই গড়ে তুলেছেন ‘হেরামখানা (আমোদ ফূর্তির ঘর)’। ওই হেরামখানায় প্রায় রাতে বসে ওসি প্রদীপ এবং তার সিন্ডিকেটের জলসা।

ইয়াবা গডফাদার সাবেক এমপি বদির সাথে সিআইপি ঈসমাইল।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওসি প্রদীপের ইয়াবার ভাগবাটোয়ারা এবং ক্রসফায়ার বাণিজ্যের অন্যতম সহযোগী টেকনাফের দুবাই প্রবাসী সিআইপি ঈসমাইল। সিআইপি ঈসমাইল ইনানীতে নিজের এক একর জমিতে ‘রিম জুমেয়রা’ নামে বাংলো গড়ে তুলেন। প্রদীপ টেকনাফ থানায় যোগদানের পর ক্রসফায়ার বাণিজ্য এবং জলসা বসানোর জন্য ওই বাংলোর দুতলায় চালু করেন ‘হেরামখানা’। এই হেরামখানাটি গড়ে তুলে শুধুমাত্র প্রদীপের জলসা আয়োজনের জন্য।

প্রাক্তন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ একজন শীর্ষ নারী লোভী এবং সমকামী। ইয়াবা ব্যবসায়ীর স্ত্রী-বোনকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে জোর করে এনে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করেন তিনি। অনেক সময় নিরীহ কোন ব্যক্তির বোন, স্ত্রী বা আত্মীয়স্বজন কেউ প্রদীপের টার্গেটে পড়লে যেকোন কিছুর বিনিময়ে এনে জোর করে ধর্ষণ করতেন। ধর্ষণের মহোৎসব গড়ে তুলেছিলেন ইনানীর রিম জুমেয়রার হেরামখানায় এবং টেকনাফের একটি হোটেলের বিশেষ কক্ষে।

ইনানীতে এক একর জমিতে গড়ে তোলা রিম জুমেয়রার প্রধান ফটক।

রিম জুমেয়রার একজন স্টাফের সাথে দু’দিন আগে কথা বলেন ভয়েসওয়ার্ল্ডের একজন প্রতিবেদক। প্রথমে কথা বলতে না চাইলেও এক পর্যায়ে বেশকিছু বিষয় তিনি ভয়েসওয়ার্ল্ডকে জানিয়েছেন। তাঁর স্বাক্ষাতকারের ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ স্টাফ জানান, দুতলার কক্ষে প্রায় রাতে জলসা বসতো। সপ্তাহের ৫ থেকে ৬ দিন সেখানে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ আসতেন। রাত ৮ টা থেকে জলসা শুরু হতো। মদ নিয়ে যাওয়া হতো কলাতলীর হোটেল সায়মনের বার থেকে। দুই তলার ওই হেরামখানায় স্টাফদের যাতায়াত ছিল সীমিত। বিশেষ করে জলসা চলার সময় সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল।

রিম জুমেয়রার হেরামখানার পাশের আরেকটি কটেজ।

জানা গেছে, কোরবানের ঈদের এক সপ্তাহ আগে সায়মনের বার থেকে সিআইপি ঈসমাইল তার অন্যতম সহযোগীর মাধ্যমে একরাতে ৪৭ হাজার টাকার মদ নিয়ে যান। ওই রাতে দু’জন কথিত নারী কণ্ঠশিল্পীকেও নিয়ে গিয়েছিলেন জলসায়। এটি ছিল রিম জুমেয়রার হেরামখানায় তাদের শেষ জলসা। সেদিনের জলসায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, সিআইপি ঈসমাইল, ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতা, গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তাসহ প্রায় ৮ জন ছিল।

রিম জুমেয়রার ওই স্টাফ জানান, প্রতিরাতে ওসি প্রদীপ হেরামখানার জলসায় চলে আসতেন। জলসায় নাচ-গানের আসর বসতো। শিল্পীদেরও নিয়ে যেতেন। মদ এবং নারী ছিল জলসার অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিদিন মদ নিয়ে যেতেন ঈসমাইলের এক সহযোগী। মাঝেমধ্যে কক্সবাজার থেকে নারী নিয়ে যেতেন সিআইপি ঈসমাইল। আবার অনেক সময় টেকনাফ থেকেও গাড়িতে করে নারী নিয়ে আসতেন ওসি প্রদীপ। এমনকি অনেক সময় রোহিঙ্গা যুবতী মেয়েদেরও দেখা গেছে জলসায়।

তিনি জানান, সাব (সিআইপি ঈসমাইল) অনেক প্রভাবশালী বলে শুনেচ্ছি। এখানে কক্সবাজার এবং ঢাকার অনেক নেতা, বিভিন্ন থানার ওসি, পুলিশের বড় বড় অফিসাররা আসা যাওয়া করে। বিশাল এ বাংলোকে জলসা ছাড়া অন্যকোন কাজে ব্যবহার করেন না তিনি (সিআইপি)। কিছুদিন আগে রাতে ৫টি গাড়ি নিয়ে পুলিশ সাবকে (সিআইপি ঈসমাইল) রিম জুমেয়রাতে দিয়ে যান।

এদিকে কলাতলীর হোটেল মোটেল জোনের লাইটহাউজে ‘রিম গেস্টহাউজ’ নামে ৯ তলা বিশিষ্ট একটি হোটেল রয়েছে সিআইপি ঈসমাইলের। ওই হোটেলটি বর্তমানে পুরোপুরি একটি এনজিওকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ভবনের ৯ তলায় ছাদের উপর আলিশান একটি হেরামখানা (জলসাঘর) ছিল। হেরাম খানাটি প্রায় ৫ বছর চালু ছিল। মাস দুয়েক আগে সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেখানে এখন এনজিও’র হল রুম করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এনজিও’র একজন স্টাফ জানান, ৯ তলায় ছাদের হেরামখানাতে দিনরাত মদের আসর বসতো। সন্ধ্যার পর পরই নারীদের নিয়ে ফূর্তি শুরু হয়ে যেত। কক্সবাজার শহর ও বিভিন্ন এলাকার শিল্পী ও নাচওয়ালিদের নিয়ে যাওয়া হতো সেখানে। ভিআইপিদের যাতায়াত ছিল চোখে পড়ার মত। অনেক পুলিশ কর্মকর্তাদেরও দেখা যেত

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ২০১৮ সালের অক্টোবরে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর সিআইপি ঈসমাইল দুবাই সফর কমিয়ে দেন। প্রদীপের সাথে ক্রসফায়ার বাণিজ্য এবং ইয়াবার মাসোহারা আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করেন তিনি।

সিআইপি ঈসমাইল নিজেকে দুবাইয়ের বড় মাপের ব্যবসায়ী দাবী করলেও সবই মূলত গালগল্প। সেখানে তার যে বোরকার ব্যবসা রয়েছে সেখান থেকে শত শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। অথচ সিআইপি ঈসমাইল কয়েক’শ কোটি টাকার মালিক।

বাংলাদেশের যে’কজন দেশের শীর্ষ অপরাধীদের ‘ব্ল্যাক মানি’ হুন্ডির মাধ্যমে দুবাই নিয়ে গিয়ে ‘সাদা’ করে আবার দেশে নিয়ে আসেন সিআইপি ঈসমাইল তাদের একজন। কক্সবাজারের বর্তমান একজন এমপি এবং সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদির সকল কালো টাকা সিআইপি ঈসমাইল আরব-আমিরাত এবং এর আশপাশের দেশে হুন্ডির মাধ্যমে নিয়ে গেছেন। এমপির বদির টাকা রাখতে আরব-আমিরাত ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশে ব্যাংক একাউন্ট করেছেন সিআইপি ঈসমাইল।

ওসি প্রদীপকে প্রায় সময় ভুরিভোজের আয়োজন করতেন সিআইপি ঈসমাইল।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদিকে নিয়ে সিআইপি ঈসমাইল টাকা রাখতে সুইজারল্যান্ড এবং আমেরিকাও গিয়েছিলেন। জেলার ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতা, টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদসহ বড় বড় অপরাধীদের টাকা দুবাইয়ে নিয়ে গেছেন সিআইপি ঈসমাইল।

সর্বশেষ ওসি প্রদীপের গত দেড় বছরে ২০ কোটি টাকারও বেশি দুবাই পাচার করেছেন সিআইপি ঈসমাইল। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের জন্য মিয়ানমার হয়ে সিঙ্গাপুর রুটকেই বেশি ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ থেকেও হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল টাকা দুবাই পাচার করেছেন তিনি।

সিআইপি ঈসমাইল ওসি প্রদীপের প্রশ্রয় পেয়ে পরিণতির কথা ভুলে লাগামহীন হয়ে পড়েছিলেন। ক্রসফায়ার বাণিজ্য এবং মাদক ব্যবসায়ীদের মাসোহারা আদায়ে ধীরে ধীরে ওপেন হয়ে পড়েন তিনি। টেকনাফ থানায় বড় মাপের কোন ইয়াবা কারবারি গ্রেপ্তার হলে তার পরিবারের সাথে ক্রসফায়ার দেওয়া না দেওয়া নিয়ে লেনদেন করতেন সিআইপি ঈসমাইল।

এমপি বদির পর মুখোশের আড়ালে থাকা শীর্ষ ইয়াবা কারবারি হলেন সিআইপি ঈসমাইল। পুলিশের বড় কর্তাদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে সব সময় থেকেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। সর্বশেষ ওসি প্রদীপের একান্ত আপনজন হিসেবে বেপরোয়া ব্যবসা এবং ক্রসফায়ার বাণিজ্য করেছেন তিনি। ওসি প্রদীপের সমস্ত চাঁদাবাজি ও লেনদেনের ভার ছিল ইসমাইলের উপর। সমস্ত অর্থ রক্ষনাবেক্ষনের ভারও ছিল তার উপর।

ওসি প্রদীপের ক্রসফায়ার বাণিজ্যে সিআইপি ঈসমাইলের অন্যতম সহযোগী আবু ছৈয়দ মেম্বার ও শরিফ মেম্বার। তারা দুইজনেই মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা তুলে দিতেন সিআইপির হাতে। আর সিআইপি সেই টাকা দুবাই এবং ভারতে নিয়ে নিজেদের ব্যবসার কাজে বিনিয়োগ করতেন। সে ব্যাবসার যৌথ মালিক হলেন সিআইপি ইসমাইল এবং ওসি প্রদীপ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই পালানোর সময় যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও শীর্ষ ইয়াবা ডন শাহজাহান। পরে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের কাছে হস্তান্তর করা হয় তাকে।

কলাতলীর রিম গেস্টহাউজের ৯ তলার ছাদের উপরও ছিল ‘হেরামখানা’। এই হোটেলের মালিক সিআইপি ঈসমাইল।

আটকের পর পরই তাকে ‘ক্রসফায়ার’ থেকে বাঁচাতে আলোচিত রকি বড়ুয়া এবং সিআইপি ঈসমাইল মিশনে নেমে পড়েন। ক্রসফায়ার থেকে বাঁচানোর জন্য সিআইপি ঈসমাইল শাহজান চেয়ারম্যানের বাবা টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। শাহজানকে ক্রসফায়ার থেকে বাঁচানোর জন্য ওসি প্রদীপকে দেন ২০ লাখ টাকা। বাকি ২০ লাখ টাকা থেকে সিআইপি ঈসমাইল নেন ১০ লাখ এবং রকি বড়ুয়া নেন ১০ লাখ টাকা।

এছাড়াও শাহজানের বাবা আরেক ইয়াবা ডন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদকে সিআইপি ঈসমাইল তার কলাতলী লাইটস্থ ‘রিম গেস্টহাউজে’ দীর্ঘদিন নিরাপত্তায় রেখেছিলেন। জাফর চেয়ারম্যানকে সেখানে একাধিকবার দেখা গিয়েছিল।

কিছুদিন আগে শাহপরীর দ্বীপের ইয়াবা এবং মানবপাচারের আন্তর্জাতিক মাফিয়া ঈসমাইলকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাকেও ক্রসফায়ার থেকে রক্ষা করার জন্য লেনদেন করেন সিআইপি ঈসমাইল। ঈসমাইলের পরিবার থেকে হাতিয়ে নেন ১৫ লাখ টাকা। সেখান থেকে ১০ লাখ টাকা ওসি প্রদীপকে দিয়ে বাকি ৫ লাখ হজম করেন সিআইপি ঈসমাইল। এরকম অসংখ্য লেনদেনের ঘটনা মানুষের মুখে মুখে।

এদিকে ব্ল্যাক মানির রাজা সিআইপি ঈসমাইলের শখ জাগে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হওয়ার। এ মিশনে তাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ওসি প্রদীপ। ‘পথের কাঁটা’ সরানোর জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান নুর হোসেনকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ পরিকল্পনা থেকে প্রাণে বাঁচতে পারলেও ইয়াবার মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় নুর হোসেনকে। এ মিশন বাস্তবায়ন করতে প্রদীপকে নগদ ১০ লাখ টাকা দেন সিআইপি ঈসমাইল।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ভয়েসওয়ার্ল্ডের একজন প্রতিবেদক ৮ আগষ্ট রাতে সিআইপি ঈসমাইলকে একাধিকবার ফোন করেন। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়। পরে ফোন দেবেন জানিয়ে তিনি পাল্টা একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠান। কিন্তু ৯ আগষ্ট রাত ১১ টা পর্যন্ত সিআইপি ঈসমাইল ফোন করেননি।

আগামী পর্বে পড়ুন- ‘ব্ল্যাক মানি হোয়াইট করার রাজা সিআইপি ঈসমাইল’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন