• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

নিজের জমির ধান নিজেই কাটলেন চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৭৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২
ধান কাটছেন চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
নিজের জমিতে পাকা ধান কাটছেন ইউপি চেয়ারম্যান। প্রাথমিকভাবে দেখে যে কেউই মনে করতে পারেন এটি হয়তো ফটোসেশন। কিন্তু কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী নিয়মিত নিজের জমিতে ধান চাষ করেন এবং চাষের কাজ করেন তিনি নিজেই। ট্রাক্টর বা লাঙল দিয়ে জমি চাষ, কোদাল দিয়ে জমির আইল কাটা, বীজতলা তৈরি, চারা উত্তোলন, ধানের চারা রোপণ সেচ ও পাকা ধান কাটাসহ সব কাজেই দেখা যায় এই চেয়ারম্যানকে। পারিবারিকভাবে তাদের অনেক জায়গা সম্পত্তি রয়েছে। আর নিজের ফসলি জমিতে শ্রমিকদের সঙ্গে কাজে নেমে পড়েন। সাধারণ মানুষের কাতারে এসে এই ধরনের কাজ করার কারণে এলাকায় তার বেশ জনপ্রিয়তা।

উখিয়ার হলদিয়াপালং এলাকার কৃষক আবুল কাসেম জানান, চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রতি মৌসুমে কৃষকদের সঙ্গে কাজ করেন। করোনাকালে তিনি নিজের জমির পাশাপাশি অন্য কৃষকের জমিতেও ধান কেটে সহযোগিতা করেছেন। তার এই কাজে স্থানীয় যুবকরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়।

উখিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রসঞ্জিত তালুকদার জানান, চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী সরকারি কৃষক তালিকায় নিবন্ধিত আছেন। তার নিজের জমির ফসল উৎপাদনে নিজেই কাজ করেন। এতে অন্য কৃষকরা উৎসাহী হয়।

এই বিষয়ে ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, ‘কৃষিকাজ ও ধান চাষ আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। এটি আমাদের প্রধান আয়ের উৎস। বংশ পরম্পরায় আমরা প্রতি মৌসুমে পারিবারিকভাবে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করি।  এতে ২০-২৫ জন শ্রমিক কাজ করে। প্রতি মৌসুমেই নিজের জমিতে চাষ, ধান রোপণ, ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ আমি সবসময় করতে চেষ্টা করি। নিজের ভালোলাগা থেকেই এই কাজ করা। নিজেদের ফসলে মাঠে কাজ করে মানসিক একটি প্রশান্তি লাগে।’ সূত্র-বাংলা ট্রিবিউন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন