নিজস্ব প্রতিবেদক:
শহরের ৬ নং ওয়ার্ডে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত দক্ষিণ সাহিত্যিকাপল্লী সমাজ কমিটির কার্যালয়ে প্রায় শতাধিক মানুষকে এই সেবা দেয়া হয়।
করোনাকালীন সংকটে মহৎ এই উদ্যোগ নেয় ডাক্তার তামিম হাসান, সাংবাদিক এইচ,এম নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক জেলা ছাত্রলীগ নেতা আনছারুল করিম ও যুবনেতা এনামুল কবির।
এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইয়াসমিন আক্তার বেসরকারি কারা পরিদর্শক রেবেকা সুলতানা আইরিন। উক্ত ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের সমন্বয় করেন ছাত্রনেতা পরিবেশকর্মী গাজী নাজমুল হক।
ফ্রি চিকিৎসা নিতে আসা মনোয়ারা বেগম জানান, করোনা জন্য ডাক্তার দেখানো যাচ্ছে না। এখানে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের খবর পেয়ে ছুটে আসি। চিকিৎসার পাশাপাশি পেয়েছি বিনামূল্যে ওষুধ।
দক্ষিণ সাহিত্যিকাপল্লী সমাজ কমিটির সভাপতি নুরুল কবির বলেন, এটি সত্যিই মহৎ উদ্যোগ। আয়োজকরা মানুষের দোয়া পাবে। ঘরের কাছে ভাল ডাক্তার পেয়ে এলাকার মানুষ উপকৃত হয়েছে।
প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ফাহাদ আলী ফাহাদ বলেন, জাতীর এই চমর মুহুর্তে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিতে যারা ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এর ফলে সাধারণ মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হবে।
কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব ও তরুণ উদ্যেক্তা সাংবাদিক এইচ এম নজরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত ডাক্তার নেই। অধিকাংশ মানুষ বর্তমানে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই জেলা ছাত্রলীগ নেতা আনছারুল করিম যুবনেতা এনামুল কবিরদের মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে চলছে চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের খোঁজে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি ওষুধ বিতরণের কাজ।
তবে এ জন্য ডাক্তার তামিম হাসান সকলের প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। সে না হলে মানবিক এই কাজ করা যেত না। আয়োজকেরা জানান, করোনাকালীন সংকটে দক্ষিণ সাহিত্যিকাপল্লী এলাকায় ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ঔষুধ বিতরণের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলে।
এসময় উপস্থিতি ছিলেন দক্ষিণ সাহিত্যিকাপল্লী সমাজ কমিটির সভাপতি নুরুল কবির,সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নিরু। বিশিষ্ট শিক্ষক আমিনুল এহসান মানিক,শাহজাহান, ফাহাদ আলী ফাহাদ, কলামিষ্ট ও সাহিত্যিক ইউছুফ আরমান, নেজামুল হক। সার্বিক সহযোগিতা করেন ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুল আলম বাবু, এমরান ও শাহরিয়া।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ঝিলংজা ইউনিয়নের বড়ছড়া, হিমছড়ি, দরিয়া নগরসহ অন্যান্য দুর্গম এলাকার মানুষকে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।