• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

১৪২ রানের লক্ষ্যেও জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : / ১০ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

পেসারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দেড়শর আগেই জিম্বাবুয়েকে অলআউট করেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ছোট লক্ষ্যও পেরোতে গিয়েও হোঁচট খেলেন ব্যাটাররা। টপ অর্ডার ব্যর্থতায় কোনোরকমে একশ পেরিয়ে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। ২৫ রানের জয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে।

হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ ওভার ৪ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান নিয়ামুরি। জবাবে ৩৩ ওভার এক বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাজে শুরু বাংলাদেশের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। এক বাউন্ডারিতে ৬ বলে ৮ রান করেছেন তিনি। ব্যর্থ আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও। ১০ বল খেলে ৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

দুই ওপেনারের দ্রুত বিদায়ে বাড়তি দায়িত্ব ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর কাঁধে। তবে অভিজ্ঞ এই ব্যাটার দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করতে পারেননি। উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন। ৭ বল খেলে ৩ রান করেছেন তিনি।

১৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান। দুজনে মিলে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলের বিপর্যয় সামাল দেন। ৫৮ বলে ২৫ রান করে হৃদয় ফেরার পর উইকেটে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। শুরুতেই বড় শট খেলতে গিয়ে ৭ বলে ৩ রান করে ফেরেন তিনি।

এরপর দ্রুত ফেরেনে মেহেদি হাসান মিরাজও। ১০ রানের বেশি করতে পারেননি অধিনায়ক। এরপর সোহানও ফিরেছেন। ৪৪ বলে ৩১ রান করেছেন তিনি। সোহান ফেরার পর আর কেউই লড়াই করতে পারেনি। ফলে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা।

এর আগে ব্যাটিংয়ে শুরুটা খুব একটা খারাপ হয়নি জিম্বাবুয়ের। দুই ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেটের জুটিতে ভালোই এগোচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট হয়ে ফেরেন কারান। তাতে ভাঙে ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি। রান আউটের পরের বলেই তাসকিন আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বেনেট। ২৪ বলে ১৭ রান করা এই ওপেনারের বিদায়ের পর প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়েকে আরও চাপে ফেলেন তাসকিন।

এরপর নাহিদের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিল রোডেশিয়ানরা। তার গতি আর বাউন্সে ব্যর্থ হয়েছেন সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদানধে ও ইনোসেন্ট কাইয়ারা। রাজা ১২ বলে ১ রান করে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন। মাধেভেরে রানের খাতা খোলার আগেই স্লিপে ক্যাচ দেন নাজমুল হোসেন শান্তকে। মাদানধে ফেরেন মাত্র ২ রান করে।

অবশ্য এক প্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। কিন্তু ৩৯ বলে ২৬ রান করা এই ব্যাটারও শেষ পর্যন্ত নাহিদের শিকার হন। তখন ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে সেখান থেকে ৬৩ রানের জুটি গড়েন রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান। ২৭ রান করা এনগারাভাকে বোল্ড করে এই জুটিও ভেঙেছেন নাহিদ।

এটি ছিল ইনিংসে তার ষষ্ঠ উইকেট। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংও। ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সর্বাধিক ফাইফারের তালিকায় এখন তার ওপরে আছেন শুধু মোস্তাফিজুর রহমান। সূত্র-ঢাকাপোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন