পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় ঘুষ লেনদেনের টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে এনজিও সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশের এক নারী মাঠ কর্মী ও পুরুষ কর্মকর্তার মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পেকুয়ার ইউএনও পূর্বিতা চাকমা ওই ওই কর্মকর্তাকে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেয়ার বাংলাদেশের পেকুয়ার উপজেলা কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়ায় কেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য যায়। এ সময় ঘুষ লেনদেনকে কেন্দ্র করে কেয়ার বাংলাদেশের সিডিও রাজাখালীর সুন্দরীপাড়ার গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী তছলিমা বেগমের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে তারা ২ জনের মধ্যে প্রকাশ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। এ সময় ঘুষের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য তছলিমা বেগম মামুনুর রশিদকে চাপ প্রয়োগ করে।
ইউপি সদস্য ছমিউল্লাহ জানান, ঘুষ নিয়ে এ কান্ডের সুত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাফর মাঝি জানান, তছলিমাকে ধস্তাধস্তি করতে দেখেছি। বাদশাহ মাঝি জানান, শিক্ষিত মানুষরা মুর্খের মতো কাজ করলে এমন হয়। একজন গরীব মহিলার কাছ থেকে ঘুষ নেবে আবার অস্বীকারও করবে।
আক্তার কামাল কোম্পানী জানান, এ ধরনের দুর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাকে চাকুরী থেকে বহিষ্কার করা উচিত।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূর্বিতা চাকমা জানান, আমি গিয়েছিলাম। আসলে এরা ২ জন কেয়ারে চাকুরী করে। লেনদেন থেকে থাকলে আলোচনা করে মিমাংসা করা যায়। কেয়ারের উর্ধতন মহলের সাথে আমার যোগাযোগ হয়েছে। আমি বিষয়টি সম্পর্কে তাদেরকে বলেছি। রাজাখালীর চেয়ারম্যানকে বলেছি এই ২ জনের বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়ার জন্য।