• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

রামুর বিদ্যুৎ প্রকৌশলী, “আমি গেজেটেড কর্মকর্তা, যা করবি কর”

নিজস্ব প্রতিদেক / ১২৫ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজারের রামু বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী এস. এম মঈনুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অজুহাতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা বিনা অনুমতিতে কারও ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশ করতে পারেন কি—না এমন প্রশ্ন করায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজারের রামু বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী এস. এম মঈনুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৮ মে) সকালে রামুর রাজাকুলে গণমাধ্যমকর্মী শিপ্ত বড়ুয়ার বাড়িতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ তল্লাশির নামে অতর্কিত ঢুকে পড়ে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মী। তাদের দেখে ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশের আগে অনুমতি নিয়েছেন কি—না জানতে চান শিপ্ত বড়ুয়া। ওই দুই কর্মী শিপ্তের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো তাকেই হেনস্তা করেন। একই সময়ে তাঁর কক্ষে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

পরে, শিপ্ত বড়ুয়া তাঁর অন্য সহকর্মীদের নিয়ে রামু বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে আবাসিক প্রকৌশলী এস. মইনুল ইসলামকে ঘটনার বিবরণ দিয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন।

কিন্তু সেখানেও বাধে বিপত্তি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এ সংক্রান্ত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে শিপ্তকে অকথ্য ভাষায় কথা বলছেন মইনুল। এ সময় উত্তপ্ত মইনুলকে বলতে শোনা গেছে, ‘গরম দেখাচ্ছি তো কি হয়েছে। কারও অনুমতি লাগেনা বিদ্যুৎ বিভাগের, আমি গেজেটেড কর্মকর্তা। যা করবি কর।’

শিপ্ত বড়ুয়া বলেন, ‘অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা তো দূরের কথা আমাদের এক টাকাও বিদ্যুৎ বিল বাকি নেই। প্রতিকার চাইতে গিয়ে মঈনুল ইসলাম খারাপ ব্যবহার করেছেন এমনকি একপর্যায়ে হুমকিও দিয়েছেন।’

মুঠোফোনে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, ‘ফোনে আপনাদের এত কথা বলতে পারব না, কি হয়েছে বেশি জানার ইচ্ছে হলে অফিসে আসেন।’ সূত্র-আজকের পত্রিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন