• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

মুক্তিযোদ্ধা সনদের জন্যে ২ লাখ টাকা চাইলেন টেকনাফ উপজেলা কমান্ডার

নিজস্ব প্রতিদেক / ৪৩০ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অডিও রেকর্ড ভাইরাল হয়েছে। অডিও রেকর্ডের এক প্রান্তে আওয়ামীলীগের সাবেক সাংসদ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর পুত্র তারেক মাহমুদ রনি আর অপর প্রান্তে টেকনাফ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহির আহম্মেদের কথোপকথন।

সেই আলাপ চারিতায় রনি তার প্রয়াত পিতার মুক্তিযোদ্ধা সনদের বিষয়ে জানতে চাইলে কমান্ডার জহির আহম্মেদ দুই লাখ টাকা এক ব্যক্তিকে দিলে সনদ মিলবে বলে দাবী করেন। এসময় কমান্ডার জহির আহম্মেদ দুই লাখ টাকা দিলে রনির মা তথা প্রয়াত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ১০ লক্ষ টাকা ব্যাংক লোন পাবে বলেও জানান।

এ বিষয়ে জানতে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহির আহম্মেদের সাথে বারবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর পুত্র রনি জানান, আলাপচারিতার যে অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তা সত্য। তার বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ পাইয়ে দিতে ২ লক্ষ টাকা দাবী করেন টেকনাফ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহির আহম্মেদ। এছাড়াও রনির সাথে অপর এক টেকনাফের মুক্তিযোদ্ধার অডিও রেকর্ড হাতে এসেছে, সেখানে অপর প্রান্তের এক মুক্তিযোদ্ধা ২ লক্ষ টাকা দিয়ে সনদ পেয়েছেন বলে জানান।

বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনের বা বিধানের পরিপন্থী এমন বিষয় থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন