সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপজেলার সাত ইউনিয়নে নতুন নিবন্ধনে নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ শেষে চুড়ান্ত প্রার্থীদের আঙ্গুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও পরিক্ষাসহ ছবি তোলা হচ্ছে। গত ২০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপজেলার সাত ইউনিয়নে নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করার লক্ষ্যে ৫৯ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৩ জন সুপারভাইজারের নেতৃত্বে ভোটার উপযুক্ত নাগরিকের নিবন্ধন যাচাই বাছাই ও তথ্য সংগ্রহ শেষে ভোটার তালিকা থেকে মৃত ব্যক্তির নাম সনাক্ত করে তথ্যাদি জমাদান শেষ করেছেন।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার থেকে স্ব স্ব ইউনিয়নে ধারাবাহিক ভাবে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। পেকুয়ায় সাত ইউনিয়নে মোট ১২ হাজার ৩৩১ জন নতুন ভোটার যাচাই বাছাই শেষে নিবন্ধিত হয়েছে। এবং ২ হাজার ৫ শত ৭জন মৃত ব্যক্তির ভোটাধিকার বাদ দেওয়া হয়েছে তালিকা থেকে।
এ কর্মকর্তা আরো জানান, আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পরে স্ব স্ব ইউনিয়নে ছবি তোলার সময় বাদ পড়া নাগরিকদের জন্যে পেকুয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বায়োমেট্রিক ও ছবি তোলার সুযোগ রয়েছে। নানা কারণে আগের অনেক ভোটারের চোখের আইরিশ ও ১০ আঙ্গুলের ছাপ এখনো সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি। তাই নতুন নিবন্ধনকৃত ভোটারদের আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ সার্ভারে আপলোড নিশ্চিত করতে ভোটার হালনাগাদ নিবন্ধন সম্পন্ন করার সময় নাগরিকের চোখের আইরিশ ও দশ আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটার তথ্য হালনাগাদে ভিবিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ক্ষুদে বার্তা লিখে পোস্ট করার বিষয়ে জানতে চাইলে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বরত একজন সুপারভাইজার জানান, কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি। ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন এবং নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় পর্যন্ত একটি আবেদন ফরম পৌঁছাতে উপযুক্ত অনেক গুলো তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার। ফরমে কোন তথ্য গরমিল বা অসম্পূর্ণ থাকলে সেটা আমরা সংশোধনের জন্যে ইউপি সদস্য বরাবর পৌঁছে দিয়েছি।