জয়নাল উদ্দিন:
কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক এলাকা থেকে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে জলদস্যু সরদার মনসুরসহ ৫ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি দেশীয় তৈরী থ্রি কোয়াটার এলজি বন্দুক, ১টি দেশীয় তৈরি এলজি বন্দুক, ১২ বোর শর্টগানের ৪টি কার্তুজ ও ৩টি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পেকুয়া উপজেলা ৪ নং ওয়ার্ড বাইম্বাখালি গ্রামের মাহমুদুল করিমের ছেলে মনছুর আলম (৩০), একই উপজেলা ২নং ওয়ার্ড বাইম্বাখালি গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে জমির উদ্দিন (২১), চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড গহিরা গ্রামের মৃত মো. জালালের ছেলে মো. আবু বক্কর (৩০), চট্টগ্রামের বাঁশখালি থানার ৯নং গন্ডামারা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বরঘোনা গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. শহিদুল হক (২৪) ও সাইদুল আলমের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৬)।
র্যাব জানায়, তারা সবাই অস্ত্রসহ ডাকাতি সংগঠনের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ পূর্বক সমবেত হওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভাস্থ ১নং ওয়ার্ড নাজিরারটেক মোস্তাক পাড়া বাজারের মের্সাস কাদের ট্রেডার্স এর উত্তর-পশ্চিম পাশে মাছঘাটের চর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে র্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একত্রে সমবেত হয়ে পরস্পর জ্ঞাতসারে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ ডাকাতি করার উদ্দেশে বর্ণিত স্থানে সুযোগের অপেক্ষায় ছিল বলে স্বীকার করে।
এছাড়াও কক্সবাজারে যে কয়েকটি জলদস্যু বাহিনী রয়েছে তাদের মধ্যে মনসুর বাহিনী অন্যতম। তিনি মূলত বাঁশখালী, মহেশখালী, কতুবদিয়া ও পেকুয়া অঞ্চল থেকে বিভিন্ন লোক ভাড়া করে এনে সমুদ্রে ফিশিং বোটে ডাকাতি করে থাকে। তারা কক্সবাজার শহরে নাজিরারটেক, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া এবং বাঁশখালীর পূর্ব বড়গুনা এলাকা দিয়ে সমুদ্রে প্রবেশ করে বিভিন্ন সময়ে ডাকাতি কার্য পরিচালনা করে থাকে বলে স্বীকার করেন।