• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

টেকনাফে চেয়ারম্যানের উদ্যোগে দখলবাজদের হাত থেকে খেলার মাঠ মুক্ত

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৭১ বার ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
টেকনাফের বাহারছড়ার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকনের উদ্যোগে শামলাপুর খেলার মাঠ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দখলবাজদের হাতে জিম্মি থাকা মাঠকে জনগণকে সাথে নিয়ে দিনে দিনে উচ্ছেদ করেছেন খোকন চেয়ারম্যান।

জানা যায়, শামলাপুরের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠের জায়গায় এলাকার কিছু মানুষ দখলবাজ অফিসের নামে স্থাপনা তৈরী করে মাঠ দখলের পাঁয়তারা করেছিল। এমনকি রড, ইট, বালি নিয়ে স্থাপনার কাজ শুরু করে দিয়েছিল। এ ঘটনায় এলাকার ক্রীড়ামোদিরা প্রতিবাদের ঝড় তুলে। ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ রক্ষার্থে তারা চেয়ারম্যান খোকনের কাছে গেলে এলাকার সার্বিক অবস্থা চিন্তা করে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। এমন সাহসী সিদ্ধান্তে এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছে আমজাদ হোসেন খোকন চেয়ারম্যান।

এ ব্যাপারে খোকন চেয়ারম্যান বলেন, ‘খেলাধুলার মাঠ দখল করে কোন অবৈধ স্থাপনা বাহারছড়ায় হতে পারবে না। সমাজের তরুণরা খেলাধুলার সুযোগ না পেয়ে মাদকে লিপ্ত হচ্ছে। মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই খেলার মাঠ রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। জনগণকে সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। আমি তাদের সাথে থাকবো আজীবন।’

বাহারছড়া ইউনিয়ন ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, ‘পুরো বাহারছড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মাঠ হলো শামলাপুর খেলার মাঠ। এ মাঠে খেলাধুলা ছাড়াও জানাযা, মাহফিল হয়। এছাড়া স্কুলের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য এ মাঠটি বেছে নেয়া হয়। অথচ মাঠটি রোহিঙ্গা আগমনের পর থেকে বিভিন্ন এনজিওর দখলে ছিল। অনেক আন্দোলন করার পর অবশেষে এনজিও থেকে দখলমুক্ত করতে পারলেও এলাকার কিছু মানুষ নতুনভাবে দখলের চেষ্টা করে। তারা এলাকার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা তা হতে দেইনি। খোকন চেয়ারম্যানসহ এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সক্ষম হই। তাছাড়া খেলার মাঠে ময়লা-আবর্জনা ফেলা মানুষগুলো চিহ্নিত করে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। শামলাপুরের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় এলাকার ক্রীড়ামোদি, তরুণ খেলোয়াড় ও যুবকরা উপস্থিত ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন