• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিদেক / ১০৫ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
কক্সবাজারের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের সী আলিফ নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক নারী ও তার শিশু সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় ওই হোটেলের ৪১১ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- মা সুধা দে (৩৫) ও মেয়ের নাম জানা যায়নি। মেয়ের বয়স আনুমানিক ১ থেকে দেড় বছর হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

হোটেল সী আলিফের জেনারেল ম্যানেজার ইসমাইল জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তিন সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে উঠেন দুলাল বিশ্বাস ও সুধা দে। তারা ঠিকানা উল্লেখ করেছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায়। ১৭ ফেব্রুয়ারী তাদের রুম ছাড়ার কথা ছিল। সেই হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় কর্মচারী শাখাওয়াত ওই রুমে গিয়ে দেখেন স্ত্রী ও এক শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে।

হোটেল সী আলিফের কর্মচারী শাখাওয়াত জানান, সকাল সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত কোন সাড়াশব্দ পাওয়া না যাওয়ায় ওই রুমে গিয়ে কয়েকবার ডাকেন তিনি। কিন্তু ভেতর থেকে সাড়া পাওয়া না যাওয়ায় পরে ম্যানেজারের নির্দেশে অতিরিক্ত চাবি দিয়ে তালা খুলে দেখেন নারী ও শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দেয় তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন।  তিনি বলেন, দুলাল বিশ্বাস ও সুধা দে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে তিন সন্তান নিয়ে সী আলিফের ৪১১ নম্বর কক্ষে উঠেছিলেন। হোটেল কক্ষ থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও স্বামী এবং বাকি দুই সন্তানের কোনও খোঁজ মেলেনি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন আরও বলেন, কেন কি কারণে হত্যা করা হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগসহ (সিআইডি) পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ শুরু করেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন