• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

রামু ট্রাজেডি: কারা চুরি করেছে বুদ্ধ মূর্তি?

নিজস্ব প্রতিদেক / ৬০২ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

তানভিরুল মিরাজ রিপন:

দফায় দফায় মিছিল। সন্ধ্যার পরপরই থমথমে অবস্থার শুরু। রাতে নৃশংসভাবে হামলা হয় ১২ টি বৌদ্ধ মন্দির ও নিরীহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপর।
ঘটনা শুধু রামু নয় উখিয়া, টেকনাফ, পটিয়াতেও রেশ লাগে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দাবী, হামলা ভাংচুরের আড়ালে চুরি হয়ে যায় অসংখ্য পুরাকীর্তি, আগুনে গলে যায় অতি প্রাচীন মূর্তি। দুর্লভ শ্বেত পাথরের বুদ্ধমূর্তিগুলো এখনো বহন করছে ক্ষত চিহ্ন।

আগুন দেখতে দেখতেই সব পুড়ে যাচ্ছিল, মনে হচ্ছিল বুদ্ধমূর্তি নয় আমার পরিাচত, দীর্ঘদিনের আত্মীয়ের ঘরবাড়ি চোখের সামনে ধ্বংস হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল দীর্ঘ বছরের সম্প্রীতির সকল চিহ্ন পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছিল। এমনই বলছিলেন আট বছর আগে রামু ট্রাজেডি চোখের সামনে দেখা চৌমোহনী বাজারের ব্যবসায়ী শাহ আলম ।

এখনো ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে মূর্তিগুলো

রামু পুরাতত্ত্বের জন্য ঐতিহাসিক জনপদ। গৌতম বুদ্ধের আগমন থেকে অর্ধবিশ্বের শাসক সম্রাট অশোক, ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সের আগমন ও বসতি রামু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে উঠে। হাজার হাজার বছরের তাল পাতায় লেখা পুঁতি, দুর্লভ পাথরের তৈরী বুদ্ধ মূর্তি, কাঠের তৈরী শত শত বছরের বুদ্ধ মূর্তিতেই যেনো লেখা আছে রামুর ইতিহাস।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুর ট্রাজেডি বাংলাদেশের জন্য একটি ভয়াবহ দিন এবং ঐতিহাসিক পুরাতত্ত্বর চুরির একটি ভয়ংকর ফাঁদ বলে মনে করছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা।

‘বিভিন্ন উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে দিয়ে এক গ্রুপ মিছিল শেষ করতে না করতে আরেক গ্রুপ মিছিল শুরু করে। আমরা আশ্রয় নিয়েছি। এ হামলা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। এখানে পাথর যেগুলো ছোড়া হয়েছিল সেগুলো কোনোটাই ইট কংক্রিটের নয়, এগুলো প্রত্যেকটা ছোট ছোট ব্লক। গান পাউডার দিয়ে সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। তাহলে কয়েকঘন্টার মধ্যেই এগুলো রামুতে পাওয়ার কথা না। এগুলো অবশ্যই এনে মজুদ রাখা হয়েছে এখানে হামলা করবার জন্য।

আর মূর্তি চোরের কথাও যদি বলি, এখানে অনেক মন্দিরে স্বর্ণের মূর্তি ছিল, রূপা, ব্রোঞ্জ এসবের মূর্তিতো ছিলই পাশাপাশি দূর্লভ পাথরের মূর্তি আর অষ্টধাতু দিয়ে তৈরী করা মূর্তি, হাজার হাজার বছর আগের পুরানো তাল পাতায় লেখা পুঁতি এসবের কিছু চুরি হয়ে গেলো আর কিছু আগুনে গলে  গেল।’ এভাবেই ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলছিলেন রামু হামলার ভুক্তভোগী রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের সহকারী পরিচালক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু।

চুরি হওয়া মূর্তিগুলোর কোনো উদ্ধার তৎপরতা প্রশাসনের মধ্যে দেখছেন কিনা জবাবে প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, এখানের সব প্রায় সব মূর্তি সোনালী রঙ্গে রাঙ্গানো থাকে। তখন সেখান  থেকে অনেকে মনে করেছে সব মূর্তি স্বর্ণের। তারা হামলার নামে চুরি করার পর যখন এসব স্থানীয় স্বর্নকারের কাছে বিক্রি করতে গেল তখন বুঝতে পারল কিছু মূর্তি স্বর্নের তৈরী নয়, সেগুলো তখন বাঁশে, গাছে, ঝোপঝাড়ে ফেলে রেখে চলে গিয়েছে। তখন সেগুলো প্রশাসন উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধারকৃত মূর্তি ফেরত দেওয়ার কোনো আগ্রহও নেই প্রশাসনের। পাশাপাশি চুরি হওয়া মূর্তিগুলো উদ্ধারেও কোনো অগ্রগতি নেই।

বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা হামলা হওয়া বারোটি বৌদ্ধ মন্দিরে অসংখ্য বুদ্ধ মূর্তি দান করেছিল। রামু হামলার আগে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত অহরহ। বলা হয়ে থাকে রামুই কক্সবাজারের সবচেয়ে বেশি অসাম্প্রদায়িক একটি জনপদ। রামুতে এমন ঘটনা হবে সেটি বুদ্ধ ভক্তদের কেউ কল্পনা করেনি। এমনকি আশেপাশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অপ্রত্যাশিত।

সেদিনের ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে ভয়েসওয়ার্ল্ড ২৪.কম এর সাথে কথা বলেছেন প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, অনেকেইতো মন্দিরে স্বর্নের মূর্তি দান করেন। এগুলো ধর্মীয় স্থান। এগুলোর কোনো ক্ষতির পরিমান নির্ধারণ করা যায় না, এগুলো অবর্ননীয় ক্ষতি। কোনো মামলার একবারও ট্রায়াল হলো না, কাউকে গ্রেপ্তাার করলো না ১৮ টি মামলার।
রামু ঐতিহাসিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। সেখানে যে ঘটনা হয়েছে সেটি নৃশংস। দেশে পুরাতত্ত্ব চুরির চক্র আছে। সেটা বিভিন্ন স্কলারদের মাধ্যমে বা দ্বায়িত্বশীল কারো না কারো দিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছু চুরি হয়।

জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলেন, পুরাতত্ত্ব যে কারো মাধ্যমে চুরি হয়। কারো ধর্মীয় উপাদান, মূর্তি গতকাল বানালেও সেটি যদি পুরো দক্ষিন এশীয়া বিক্রি করে দিলেও ক্ষতি পোষাবে না। মানে এগুলোর তো ধর্মীয় ভাবাবেগের বিষয়, এগুলোর মূল্য অনেক। সেক্ষেত্রে রামুতে যে পরিমাণ পুরাতত্ত্ব আছে সেগুলো চুরি হয়ে অনেক অবর্ননীয় ক্ষতিই করে।
তিনি বলেন, রামুতে গৌতম বুদ্ধ এসেছে। ওনার হাতে গড়া অবয়ব বা লেখা এগুলো আমরা ধর্ম ও শতাব্দী বিবেচনা করলে এগুলোর মূল্য টাকায় বা ডলারে বিবেচনা করা যাবে না। এগুলো তারও উর্ধ্বে৷

হামলায় ভেঙে যাওয়া মূর্তি ও অন্যান্য জিনিসপত্র এখনো মন্দিরে পড়ে আছে।

তিনি বলেন, ইংরেজ শাসনামলে ভারত উপমহাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ব্রিটিশ রাজের মদদে চুরি হয়ে যায়। সেই চুরি হওয়া সম্পদ এখন লর্ড ক্লাইভের জাদুঘর পুউইস ক্যাসেলে প্রদর্শিত হচ্ছে সগৌরবে। সেই তখন থেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ইতিহাসের সাক্ষী সম্বলিত বিভিন্ন উপাদান চুরি হয়েছে। তা এখন আমাদের চড়া দামে টিকিট কেটেই দেখতে হয়।

‘মূর্তি চুরির ঘটনা এখানে স্বাভাবিকভাবে চলে আসছে। এখনো থামেনি।  ১০০ থেকে ১৫০ বছর আগের কাঠের মন্দির ‘বড় ক্যাঙ’ সেখানে থেকে সবচেয়ে দূর্লভ মূর্তি চুরি হয়েছে যা এখনো উদ্ধার হয়নি। মন্দিরটিতে হামলা হয়নি তবে চুরি হয়েছে। সে রাতের ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে তখনকার সময়ের ভান্তে স্ট্রোক করেন। পরিবর্তিতে তিনি মারাও যান,  বলছিলেন কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ক্য থিং অং।

রামুর পুরানো ক্যাংয়ের প্রধান ভান্তে এবং রামুর সবচেয়ে বয়স্ক ধর্মীয় গুরু উ চেকা চারা মহাস্তবিত সাথে কথা বলছেন ভয়েসওয়ার্ল্ড এর কূটনৈতিক প্রতিবেদক তানভিরুল মিরাজ রিপন।

তিন বলেন, চুরি হয় সেটির একটি প্রত্যক্ষ ঘটনা বলি ২০ বছর আগে, রামু ট্রাজেডির সাথে সম্পৃক্ত নয়, এরপরও বলছি আমি আমার ছেলেকে নিয়ে রামুর লামার পাড়া বৌদ্ধ বিহার দেখতে গিয়েছিলাম। দেখলাম ওখানে কিছু কাঠের মূর্তি ছিল সেগুলো নেই। কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলাম এগুলো কই, ওনারা আমাকে বললেন চুরি হয়ে গেছে। পরে খবর পেলাম এগুলো ঢাকার সাজু আর্ট গ্যালারিতে দেখা গেছে। সাজু আর্ট গ্যালারির মালিকওতো কক্সবাজারের। এখন এগুলো কাকে বলবো। আমাদের দুর্ভাগ্য আর কি। এই যে প্রতœতাত্ত্বিক সম্পত্তিগুলো ধ্বংস করছে, চুরি করছে। এখানে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ওটা নয় এগুলো তো আমার পরিচয়। এই পুরাতত্ত্ব আমাদের পরিচয় ও সম্পদ।

২০১২ সালে ঘটনার রেশ থাকা কালে কয়েকমাস প্রশাসনের তৎপরতার ফলে কিছু মূর্তি উদ্ধার হয়েছিল। যা পরে মামলার তদন্ত কাজের অগ্রগতির জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, মামলার কাজের জন্য এতো বছর রাখবে কেন? আর আমরা চেয়েছিলাম সে মূর্তিগুলো। কিন্তু ফেরত আসেনি তো।

২০১২ সালের নভেম্বরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তিনটি মূর্তি উদ্ধার করা হয়, একন রোহিঙ্গার দোকান থেকে। যা রামু বৌদ্ধ মন্দিরের হামলায় সময় চুরি হয়েছিলো। এ বিষয়ে রামু থানার পুলিশ কে. এম আজমিরুজ্জামান ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলেন, আমরা তো নতুন জয়েন তবে এ মামলা গুলোতো এখনো চলমান। কাজ চলছে, হয়তো উদ্ধার হলে কাজটা সাকসেস হবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ড. মেসবাহ কামাল ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলেন, রামু ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো গৌতম বুদ্ধ এসেছিলেন বলেই। রামুর মন্দির গুলো ধর্মীয় স্থান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর নিরাপত্তাসহ সংখ্যালঘুুদের নিরাপদ রাখা ও রক্ষা করা রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব। রামুতে তালপাতায় লেখা পুতি পাওয়া যায়। আর আমাদের দেশে প্রতœতাত্ত্বিক উপাদান চুরি নতুন নয়। জাতীয় জাদুঘর থেকে স্বাধীনতার পর থেকে নথি চুরি হওয়ার অভিযোগ আছে। বাংলাদেশে এরকম একটি গ্রুপ সক্রিয় আছে। আর রামুতে আমরা গিয়েছি দেখেছি অনেক কিছু চুরি হয়েছে। প্রশাসনের দাায়িত্ব উদ্ধার করা মূর্তি গুলো ফেরত  দেওয়া। ফেরত না দিলে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। ঐতিহাসিক উপাদান নষ্ট হলে সেগুলো রিপ্লেস হবে না।

সরকার মন্দিরে মূর্তি নির্মাণ করেছে ঠিক কিন্তু ক্ষতিপূরণ হয়েছে কি? অপরাধীদের শাস্তি না হলে ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার সম্ভাবনা থেকে যায়। এসব বন্ধ সুনিশ্চিতভাবে করা দরকার। কারন রাষ্ট্র অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তি নিয়ে মুক্তি পেয়েছে।

সম্প্রীতির পরিবেশ আবারও বিরাজমান হচ্ছে। স্বাভাবিক হচ্ছে সম্প্রদায় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক। তবে সেদিনের ভয়াল রাত কি ভুলবার মত? সন্ত্রাসী হামলার রাতেও ছিল সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উ চেকা চারা মহাস্তবিত রামুর পুরানো ক্যাংয়ের প্রধান ভান্তে এবং রামুর সবচেয়ে বয়স্ক ধর্মীয় গুরু। তিনি ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলছিলেন, সেদিন রাতে আমি ঘুমাচ্ছিলাম, একজন এসে বলল মন্দিরে হামলা হচ্ছে, পুড়িয়ে দিল। তিনি তখন তাঁর সাধনার ঘরেই অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের মন্দিরে হামলা করেনি অনেক মুসলিম এসে ঘিরে ধরে বলছে এখানে কেউ মন্দির পুড়াতে আসলে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে। সেদিন বুঝতে পেরেছি এখানে সম্প্রীতি অটুট। আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি।

মূর্তি প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে। দেশের নানান প্রদর্শনীতে হয় তো কারো না বেনামে এ মূর্তি প্রদর্শিত হচ্ছে। অথবা দেশের বাইরে পাচার হচ্ছে। হয়তো এমনও হতে পারে এ মূর্তি দেখতে লাখ লাখ টাকা খরচ করতে হবে বিদেশের কোনো জাদুঘরে। তাহলে এ ঘটনার শেষ আদৌ হবে?  পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসার দাবি সংশ্লিষ্টজনদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন