• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

এ মাসেই ভারতের সঙ্গে বৈঠক করতে চায় ঢাকা

নিজস্ব প্রতিদেক / ৫৩১ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের ষষ্ঠ জয়েন্ট কনসালটেটিভ বৈঠক সেপ্টেম্বরে করতে আগ্রহী ঢাকা। এর জন্য সরকার প্রস্তুতিও নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। এর আগে গত ১৯ আগস্ট শ্রীংলার বৈঠকের পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমকে জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক দ্রুত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ’আমরা সেপ্টেম্বরে জয়েন্ট কনসালটেটিভ বৈঠক করার প্রস্তাব করবো। এই বৈঠক ভার্চুয়াল হবে। এটি হোস্ট করবে বাংলাদেশ।’

আওয়ামী লীগ সরকার পরপর তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরে ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারিতে ওই বৈঠক হয়েছিল। পঞ্চম জয়েন্ট কনসালটেটিভ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পক্ষে তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি মুজিববর্ষ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান দেশে ও বিদেশে কিভাবে যৌথভাবে করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’

এ বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনা হবে বলে তিনি জানান। এর আগে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে হঠাৎ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রীংলা ঢাকা সফর করেন।

গত ১৯ আগস্ট মোমেন ও শ্রীংলার বৈঠকের পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব গণমাধ্যমকে জানান, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক দ্রুত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটির একটি ভালো দিক হচ্ছে বিভিন্ন লাইন মন্ত্রণালয়ে যে প্রকল্পগুলো আছে সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা যাবে। সেই সমস্ত প্রকল্পগুলো আরও দ্রুত হবে। দুই দেশের সুবিধা অনুযায়ী আমরা এই বৈঠক করবো।’

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন