মোহাম্মদ ফরিদ:
কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে খামারিরা। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন চালু করেছে অনলাইন হাট। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসবে গুটি কয়েক বাজার। তবে সব ঝামেলা এড়াতে অনেকেই সরাসরি খামারির বাড়ি থেকে গরু নেয়ার পরিকল্পনা করছে। এতে মিলছে কাঙ্খিত স্বাস্থ্যবান কোরবানির পশু।
সদর উপজেলার খুরুস্কুল খুলিয়া পাড়ার খামারি নুরুল আবছার। দুই বছর ধরে অতি-যত্নে পালন করেছেন একটি দেশী গরু। ষাঁড় প্রজাতির গরুটি দেখলে মনজুড়িয়ে যায়। আদর করে তার নাম রাখা হয়েছে ‘লাল বাহাদুর’। স্বাস্থ্যবান প্রায় আড়াই মণ ওজনের গরুটির দাম হাকা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। তাই এদিক ওদিক না দৌঁড়ে সহজেই সাধ্যের মধ্যে মিলতে পারে লাল বাহাদুরের মালিকানা।
খামারি নুরুল আবছার বলেন, কোরবানি হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি কেনা হয়েছে। দুই বছর নিবিড় পরিচর্যায় তাকে এই পর্যায়ে আনা হয়েছে। গরুটির পেছনে অনেক খরচ হয়েছে। চাহিদা মোতাবেক দাম না পেলে গুণতে হবে লোকসান।
নুরুল আবছারের ন্যায় আশপাশে আরও অনেক খামারি কোরবানিতে বিক্রির জন্য গরু পালন করেছেন। এখন প্রহর গুণছেন ভাল দামে বিক্রির। তারা সবাই করোনা নিয়ে আশানুরূপ দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন।
বাংলাদেশ সময় ১৪৪১ ঘণ্টা, ৮ জুলাই ২০২০
এমএফ/আএন