সৌরভ দেব:
রাষ্ট্রের নিদারুণ ব্যর্থতাকে আপনি প্রশ্ন করলেন না, হাজার কোটি টাকার বাজেটের হিসেব আপনি নিলেন না, নিজেকে আদার ব্যবসায়ী ভেবে জাহাজের খবর নিলেন না!
অথচ আপনার নিরবতা, চাটুকারিতায় একটা রাষ্ট্র আস্তে আস্তে তার সবটুকু কাপড় খুলে ন্যাংটা হতে থাকলো। এতে শাসকের দোষ নেই, কারন শাসকের চরিত্রই তো আপনারে সে নিরব রাখবে, সে চাইবে আপনি তারে চেটে যান। বরং আপনিই ভেক ধরতে ধরতে কবে চাটুকার হয়ে যাচ্ছেন, সেই খেয়াল রাখলেন না নিজের প্রতি, এইটা শাসকের সফলতা, আপনার ব্যর্থতা বৈকি!
স্বাস্থ্য সেবার নাজুক অবস্থা। উন্নয়নের নামে চারদিকে লুটপাটের মহোৎসব হলো। চুপ ছিলেন! এই যে চুপ থাকার ফল বুঝেন- আপনারে বাঁচানোর আইসিও নাই, ভ্যান্টিলেটর নাই। আপনি প্রশ্ন করেন নাই! ক্যান নাই! থাকবেনা কেনো, সে প্রশ্ন আপনি এখনো করছেন না।
নাকি আল্লাহর মাল আল্লায় নিচ্ছে বলেই চুপ আছেন?
একটা শিক্ষা ব্যবস্থারে শেষ করে দিলো। শিক্ষায় সাম্প্রদায়িক ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখে বিশাল একটা গোষ্ঠীকে গোঁড়া রেখে দিলেন। চুপ ছিলেন!
আরো বলেন, “অশিক্ষিত মূর্খের বাচ্চা লকডাউন মানেনা, সামাজিক দুরত্ব মানেনা! গরীবের বাচ্চা একদিন বাজার না কইরা থাকতে পারেনা!”
একটা পুঁজিবাদী চাটুকার ব্যবস্থা, চেটে চেটে ভেক ধরে নিজেরাই টিকিয়ে রেখে আরো প্রশ্ন তোলেন, অমুক প্লেন ভাড়া করে চিকিৎসা নিতে যায় কেন? অথচ নিজের যদি প্লেন কেনার সামর্থ্য থাকতো আপনি নিজেই আগে দৌড় দিতেন! কারন যে ব্যবস্থাটা আপনি নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য টিকাই রাখছেন, প্লেন নিয়া বাইরে যাওয়া ওই ব্যবস্থারই ফল।
লেখক: সাবেক সভাপতি- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কক্সবাজার সংসদ।
(বি:দ্র: লেখাটি সৌরভ দেবের ফেসবুক থেকে সংগৃহিত।)