• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পেকুয়ায় টইটং অঙ্কুর বিদ্যাপীটের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন পেকুয়া সদর মৌলভী পাড়া সমাজ কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি-শিব্বির, সাধারণ সম্পাদক – জাহেদ ১৬ মাসে নতুন করে দেশে এসেছেন দেড় লাখ রোহিঙ্গা ফ্লাইওভারে ছাত্রলীগ নেতার ঝুলন্ত মরদেহ রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন উখিয়া-টেকনাফে প্রজেক্ট অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস নোহা বক্সিসহ ২৮ হাজার ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার মহাজের পাড়ার জসিম ও সাইফুলসহ আটক ৪ পেকুয়ায় সংরক্ষিত বনে অবৈধ স্থাপনা : সংবাদ প্রকাশ করায় বন কর্মকর্তার হুমকি চকরিয়ার মাতামুহুরীসহ নতুন পাঁচ উপজেলা গঠন

টেকনাফে গত ৮ মাসে ৬৫ জন অপহরণ

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ২৬৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় থামছে না। আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয় বাংলাদেশী ও ক্যাম্পে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের। গত ৮ মাসে ৬৫ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। আশপাশের পাহাড়কেন্দ্রিক কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই অপহরণের সাথে জড়িত। সবশেষ গত ২৮শে এপ্রিল টেকনাফে পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন তিন বন্ধু। ঘটনার ২৬ দিন পর র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে গহীণ পাহাড় থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায়ই অপহরণের ঘটনা ঘটছে। গত ৮ মাসেই ৬৫ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। আদায় করা হয়েছে মুক্তিপণ। আবার অপহরণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করার ঘটনাও ঘটছে।

সবশেষ গত ২৮শে এপ্রিল টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া গ্রামে পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন তিন বন্ধু রুবেল, ইউছুপ ও ইমরান। পরে গহীণ পাহাড়ে তাদের বেঁধে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে সেই ভিডিওচিত্র পাঠানো হয় স্বজনদের কাছে। মুক্তিপণ বাবদ ৩০ লাখ টাকা দাবি করে অপহরণকারি চক্র। মুক্তিপণ না দিলে জিম্মিদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে গত ৯ই মে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অপহৃতদের স্বজনেরা। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী ১ লাখ টাকা মুক্তিপণও পাঠায়। কিন্তু অপহরণকারীরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং ৩ বন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

অভিযোগ রয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড় ও আশপাশের জঙ্গলে গোপন আস্তানা তৈরি করে মাদক চোরাচালান ও অপহরণ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। সবশেষ অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে দুই রোহিঙ্গা যুবকসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অপরাধীদের যোগসাজশে গড়ে উঠা এসব চক্রের কারণে টেকনাফে আতংক দূর হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন