• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

টেকনাফে গত ৮ মাসে ৬৫ জন অপহরণ

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ২৮০ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩

কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় থামছে না। আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয় বাংলাদেশী ও ক্যাম্পে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের। গত ৮ মাসে ৬৫ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। আশপাশের পাহাড়কেন্দ্রিক কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই অপহরণের সাথে জড়িত। সবশেষ গত ২৮শে এপ্রিল টেকনাফে পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন তিন বন্ধু। ঘটনার ২৬ দিন পর র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে গহীণ পাহাড় থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায়ই অপহরণের ঘটনা ঘটছে। গত ৮ মাসেই ৬৫ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। আদায় করা হয়েছে মুক্তিপণ। আবার অপহরণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করার ঘটনাও ঘটছে।

সবশেষ গত ২৮শে এপ্রিল টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া গ্রামে পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন তিন বন্ধু রুবেল, ইউছুপ ও ইমরান। পরে গহীণ পাহাড়ে তাদের বেঁধে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে সেই ভিডিওচিত্র পাঠানো হয় স্বজনদের কাছে। মুক্তিপণ বাবদ ৩০ লাখ টাকা দাবি করে অপহরণকারি চক্র। মুক্তিপণ না দিলে জিম্মিদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে গত ৯ই মে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অপহৃতদের স্বজনেরা। অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী ১ লাখ টাকা মুক্তিপণও পাঠায়। কিন্তু অপহরণকারীরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং ৩ বন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

অভিযোগ রয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড় ও আশপাশের জঙ্গলে গোপন আস্তানা তৈরি করে মাদক চোরাচালান ও অপহরণ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। সবশেষ অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে দুই রোহিঙ্গা যুবকসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অপরাধীদের যোগসাজশে গড়ে উঠা এসব চক্রের কারণে টেকনাফে আতংক দূর হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন