টেকনাফ প্রতিনিধি:
প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সোমবার (২৪ অক্টোবর) ভোর থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে সেখানে।
জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তাল সাগরের ঢেউয়ে ডুবে গেছে ঘাটে অপেক্ষারত ১৩টি মাছ ধরার ট্রলার।
এর মধ্যে ছয়টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সাতটি ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।
তিনি বলেন, স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি উত্তাল সাগরের ঢেউয়ে এসব ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দ্বীপের অর্ধশত গাছ ভেঙে সড়ক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। পরে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে এসব গাছ সরানো হয়। সার্বিকভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন তারা।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক টিমের প্রধান মাহে আলম সোহাগ জানান, তাদের পাঁচটি দল মাঠে রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রচারণায় মাইকিং করা হচ্ছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বলেন, মধ্য রাত থেকে দমকাসহ ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। পানির উচ্চতাও স্বাভাবিকের চেয়ে ১০-১২ ফুট বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।