• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

রামুতে শ্বাশুড়িকে ৬ টুকরো করে মাটিচাপা : পুত্রবধু রাশেদা আটক

নিজস্ব প্রতিদেক / ২১৩ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২
আটক পুত্রবধূ রাশেদা বেগম।

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলাতে উমখালীর মিঠাছড়ি হাজির পাড়ায় শ্বাশুড়িকে হত্যার পর বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম মমতাজ বেগম(৬০)। রবিবার (১৭ জুলাই) সকালে নিহতের ছেলে বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে গেলে পাশে নতুন খোঁড়া মাটি দেখতে পায় এবং অল্প মাটি খোঁড়েই তার মায়ের শাড়ি দেখে স্থানীয়দের জানায়।

পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রামু থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিচাপা অবস্থায় নিহত মমতাজ বেগমের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে শ্বাশুড়িকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে অভিযুক্ত রাশেদা বেগম(২৫) এবং তাকে আটক করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রাশেদা স্বীকার করে যে, গতকাল সকালে নিহত মমতাজ বেগমের সাথে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর টুকরো টুকরো করে বস্তাবন্দি কর লাশ। পরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পাশের টিউবওয়েলের পাশে বস্তাবন্দি করে লাশ মাটিচাপা দেয়।
পারিবারিক কলহের জের ধরে এই ঘটনা বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলে থাকা রামু থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো: মন্জু বলেন, লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সরকারি মেডিক্যাল কলেজ মর্গে লাশ পাঠানো হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাহাব উদ্দিন বলেন, নিহত সসতাজ বেগমকে কেঁটে ছয় টুকরো করা হয়েছে। দেহ থেকে মাথা, দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বস্তাবন্দি অবস্থায় লাশ পেয়েছি। একা একটা মেয়ের পক্ষে একজন মানুষকে ছয় টুকরো করে মাটি চাপা দেওয়াও অসম্ভব বলে দাবী করেন তিনি।

নিহতের ছেলে আলমগীর জানান, সকালে টিউবওয়েলে গেলে পাশে নতুন মাটি দেখতে পাই। নতুন মাটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় অল্প একটু খুঁড়ে দেখি আমার মায়ের শাড়ি। শাড়ি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের খবর দিলে তারাও পুলিশে খবর দেয়। পারিবারিক ঝগড়া ছিলো তাই বলে আমার মাকে হত্যা করার মতো কিছু দেখছি না।

এদিকে ঘটনাস্থলে আসেন রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী। তিনি বলেন, হত্যাকারী রাশেদা নিহত মমতাজ বেগমকে হত্যা করে বাড়ির সামনে টিউবওয়েলের পাশে নরম মাটি দেখেই পুঁতে ফেলে। হত্যাকারীকে ইতোমধ্যেই আটক করা হয়েছে ও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদও চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন