• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

টেকনাফে সাড়ে ১০ কোটি টাকার আইস উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিদেক / ২১৭ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২

টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযানে সাড়ে ১০ কোটি টাকার দুই কেজি ১১৯ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১১৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (২৩ মে) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করা হয়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলার দমদমিয়া বিওপির বিআরএম-১০ থেকে আনুমানিক ৬০০ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কামালের জোড়া এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার হচ্ছে। এমন খবরের ভিত্তিতে টেকনাফ ২ বিজিবির ব্যাটালিয়ন সদর এবং দমদমিয়া বিওপি থেকে দুটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহল দল দ্রুত ওই এলাকায় অবস্থান করে।

আনুমানিক রাত সাড়ে ৩টার দিকে মানুষের পায়ের আওয়াজ বুঝতে পেরে বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে ধাওয়া করে। এ সময় পাচারকারী দুইজন বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে কেওড়া বাগানের গহিনে কিছু লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। বিজিবি তাদের ধাওয়া করেও আটক করতে ব্যর্থ হয়।

পরে টহল দল কেওড়া বাগানে তল্লাশি করে কালো পলিথিনের পোটলা দেখতে পায়। এর মধ্যে একটি পোটলায় মোড়ানো ৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার ১ কেজি ৫৬ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ পাওয়া যায়।

এদিকে একই দিন ভোরে শাহপরীর দ্বীপ বিওপির সদস্যরা নাফ নদী থেকে ৫ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হাজার টাকার ১ কেজি ৬৩ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং ১১৮ বোতল মিয়ানমারের মদ উদ্ধার করে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।

বিজিবির ওই কর্মকর্তা বলেন, পাচারকারীদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে যথাযথ ও কার্যকরীভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন