• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

টেকনাফে ৫ অবৈধ ইটভাটাকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৬৫ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
টেকনাফে অবৈধ ইটভাটায় জরিমানা।

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার (২ মার্চ) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা জানান, বুধবার (২ মার্চ) টেকনাফে ৫ টি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্র ও ইট পুড়ানোর ছাড়পত্র না থাকায় অবৈধ ইটভাটা ধ্বংসে দেশব্যাপী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জরিমানা আদায় করা ৫ ইটভাটা হচ্ছে যথাক্রমে টেকনাফের হোয়াইক্যং এর আবুল হাশেম মেম্বারের মালিকানাধীন এএইচবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, গিয়াস উদ্দিনের এসএমবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, জুনাইদ আলীর এমআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, আবদুল্লাহর এআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা এবং মীর কাশেমের এমকেবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা।

কক্সবাজারের পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘এসব ইটভাটায় ইতিপূর্বে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু বার বার তারা একই অপরাধ করছে। অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস না করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।’ অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে তিনভাগের দুইভাগ ইটভাটা অবৈধ। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এসব ইটভাটা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এসব ইটভাটা মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের এসব ইটভাটা বন্ধে আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে।’

অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন। এর আগে মঙ্গলবার ১ মার্চ চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ইটভাটা আংশিক ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:

কক্সবাজারে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন