• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

৮ বছর পর টেকনাফ নাফ নদে মাছ ধরার অনুমতি

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : / ১১২ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

দীর্ঘ ৮ বছর পর নাফ নদে জেলেদের মাছ ধরার অনুমতি মিলেছে। পতিত স্বৈরাচার সরকার মায়ানমার থেকে ইয়াবা পাচার বন্ধ করার অজুহাত দেখিয়ে ২০১৮ সালে নাফ নদে স্থানীয় জেলেদের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। যদিও এর পরও ইয়াবা পাচার বন্ধ করা যায়নি।

তখন থেকে প্রান্তিক জেলেরা আর্থিক সংকটের মুখে দিনাতিপাত করছিলেন।

এত বছর ধরে অনেক দেন-দরবারেও জেলেরা আর নামতে পারেননি নাফ নদে।

অবশেষে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলেরা মাছ ধরার অনুমতি ফিরে পান।

হাইকোর্টের নির্দেশনা মতে, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমানার অভ্যন্তরে নাফ নদে শাহপরীর দ্বীপ হতে টেকনাফ জেটিঘাট পর্যন্ত মাছ ধরতে পারবেন জেলেরা।

জেলেরা মাছ ধরতে যাওয়ার সময় বিজিবির ৫টি নির্ধারিত পোস্টে টোকেন/পরিচয়পত্র দেখাবেন এবং মাছ ধরা শেষে ফেরত আসার পর বিজিবির পোস্টে তল্লাশি করার ব্যাপারে বিজিবি সদস্যকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করবেন।

কোনো জেলে চেক পোস্টে না জানিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা অতিক্রম করা যাবে না।

মৎস্য অধিদপ্তরের হালনাগাদকৃত নিবন্ধিত জেলেদের তালিকা বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে প্রদান করা যেতে পারে। যাতে কোনোক্রমেই নিবন্ধিত জেলে ব্যতীত কেউ নাফ নদে মাছ ধরতে না পারে।

এই অনুমোদন সম্পূর্ণ সাময়িক। তিন মাস পর সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ অনুমতি নবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানান, ‘পত্রের আলোকে জেলেদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

টেকনাফ মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আমান উল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে অনুমতি মিলেছে, এতে জেলেরা খুশি। তবে রাতে মাছ ধরার অনুমতি না পেলে জেলেদের পোষাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন