• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

সেন্টমার্টিনে পানি থই থই

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৬৪ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২

বিশেষ প্রতিবেদক:
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ফুলেফেঁপে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। এতে প্লাবিত হয়েছে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের নিম্নাঞ্চল। এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে সেন্ট মার্টিনের ৬০ শতাংশ এলাকা। অনেক জায়গায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, জোয়ার মাত্র শুরু হয়েছে। রাত ১০টার দিকে শেষ হবে। এর মধ্যে পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এ পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তলিয়ে যেতে পারে পুরো সেন্ট মার্টিন।

এ দিকে সেন্ট মার্টিনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষকে স্থান করে দিতে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া। ইন্টারনেট দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

সেন্ট মার্টিনের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন শুভ বলেন, পানির কারণে তলিয়ে যাওয়ার অবস্থা সেন্ট মার্টিনের। ২০৫০ সাল নয়, সেন্ট মার্টিন ডুবতে আজকের মতো আর দু-তিনটা জোয়ারই যথেষ্ট। রিসোর্টগুলোতে জোয়ারের পানি উঠেছে। চারদিক দিয়ে পানি ঢুকছে। আমাদের যাওয়ার কোনো পথ নেই। সবার সহোযোগিতা কামনা করছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ বলেন, জীবনে এত পানি সেন্ট মার্টিনে এক সঙ্গে দেখেনি। আজ হয়তোবা সব শেষ হয়ে যাবে। জোয়ার শেষ হতে আরও দুই ঘণ্টা বাকি। এতে তলিয়ে যেতে পারে পুরো দ্বীপ। এই অবস্থায় মনে হচ্ছে সাগরের মাঝে কোনো বিকল জাহাজে বসে মৃত্যুর প্রহর গুনছি।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে দ্বীপের চার দিক দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। যারা ঝুঁকিতে ছিল তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন