• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

মাদক চোরাচালানের ‘গডফাদার’ টেকনাফের বাবুল মেম্বার গ্রেপ্তার

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ১৭৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩

মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে ইয়াবা নিয়ে আসা মাদক সিন্ডিকেটের শীর্ষ কারবারি জাফরুল ইসলাম প্রকাশ ওরফে বাবুল মেম্বারকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৫ হাজার ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। বুধবার (৫ অক্টোবর) রাতে টেকনাফের কাটাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, বাবুল টেকনাফ এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি। সে মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে মাদক, অস্ত্র ও স্বর্ণসহ বিভিন্ন জিনিস দেশে নিয়ে আসতেন। বাবুলের হস্তক্ষেপে দেশে প্রতিমাসে প্রায় ৪০-৪৫ লাখ ইয়াবা নিয়ে আসা হতো। মাদক চোরাচালানের জন্য বাবুলের একটি নিজস্ব সশস্ত্র চক্র রয়েছে। এই চক্রের সদস্য সংখ্যা ২০-২৫ জন। চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে এই মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন বাবুল।

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) কক্সবাজার র‌্যাব-১৫’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গতকাল বুধবার রাতে র‌্যাবের একটি দল টেকনাফের কাটাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী শীর্ষ সন্ত্রাসী জাফরুল ইসলাম প্রকাশ ওরফে বাবুল মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৫ হাজার ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। বাবুল টেকনাফ এলাকার একজন অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী। স্থানীয় এলাকায় মাদক চোরাচালানের গডফাদার হিসেবে চিহ্নিত সে। পাশের দেশ থেকে মাদক দেশে নিয়ে আসতো বাবুল। বাবুল মাদক কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এলাকায় ২০-২৫ জনের একটি চক্র গড়ে তুলে। এলাকায় চাঁদাবাজি, স্বর্ণ চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, চোরাই পথে গবাদি পশু চোরাচালান এবং অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটির ব্যবসাসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো বাবুল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন