• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

মাতারবাড়ির সমন্বিত উন্নয়নে দ্রুত আইন হচ্ছে : মহেশখালীতে মূখ্য সচিব

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ১৩৩ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ির সমন্বিত উন্নয়নে দ্রুত আইন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তিনি বলেন, মাতারবাড়িকে সরকার একটি ‘ইন্টিগ্রেটেড ডেপলামেন ইনসেটিভ’ এর আওতায় নিয়ে এসেছে। তার জন্য সংসদে একটি আইনও পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত আইনটি সেখানে পাস হবে।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) মাতারবাড়ির কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্র বন্দর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম থেকে নৌপথে মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দরের একটি জেটিতে পৌঁছান তিনি। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তিনি প্রকল্প পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল আহমেদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানসহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা।

তিনি বলেন, প্রকল্প পরিদর্শন, সার্বিক অগ্রগতি দেখা ছাড়াও এখানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জেটি, সড়ক ও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা হয়েছে। যেখানে সব স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিজদের মতামত ব্যক্ত করেছেন এবং করণীয় বলেছেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব বলেন, মাতারবাড়ির উন্নয়ন প্রকল্পটি বিশাল উন্নয়ন যজ্ঞ। এই প্রকল্পের কাজ যথাযত এবং দ্রুত শেষ করার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের দক্ষ করতে একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলতে বলা হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠার কাজও চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা অবহিত করেছেন। এটি প্রতিষ্ঠা হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে এই প্রকল্পে কাজ করতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে ৬০ দিনের কয়লা মজুদ, ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন মূখ্য সচিব। তিনি বলেন, মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কের ২৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের কাজও দ্রুত করা হবে। এর জন্য জমি অধিগ্রহণ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া যৌথভাবে চলছে।

তিনি বলেন, ‘মাতারবাড়ির উন্নয়ন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা, যা জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

মূখ্য সচিব বলেন, আগে থেকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অধিনে। এটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষই ব্যবস্থাপনা করেন।

এসময় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, এখন পরীক্ষামুলক বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে। আগামি ডিসেম্বর থেকে বানিজ্যিকভাবে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র। বিকালে মূখ্য সচিব কালারমারছড়ায় এসপিএম প্রকল্প পরিদর্শনে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন