• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

পেকুয়া আ.লীগের সভাপতি হত্যার আসামিই হলেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩৮০ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম শাহাব উদ্দিন ফরাজী হত্যার আসামিই হলেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। ২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর হত্যার শিকার হন ফরাজী। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় আসামি হয়ে কিছুদিন কারাভোগ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। এছাড়া বিগত নির্বাচনসহ টানা দুবার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করেছেন তিনি। এরপরও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা, উল্টো তাকে হত্যার শিকার সভাপতির স্থলাভিষিক্ত করে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

সম্প্রতি হত্যার আসামি শহিদুল্লাহকে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। এ ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অপরদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

২০১২ সালের ডিসেম্বরে ফরাজী পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এখনও সেই কমিটি বহাল রয়েছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে খুন হন তিনি। এ ঘটনায় মামলাও হয়। তদন্তে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি শহিদুল্লাহর জড়িত থাকার কথা বেরিয়ে আসে। ওই বছরই তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে এসে ২০১৬ সালে টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হন। গেল ইউপি নির্বাচনেও তিনি নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ঘোড়া মার্কা নিয়ে ১৪৫ ভোট পান।

বিষয়টি নজরে আনা হলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক টিমের প্রধান হুইপ স্বপন আহমেদ এমপি বলেন, তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে ফরাজী হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যই পুলিশ আটক করেছিল। এর বাইরে কিছু নয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলে কারাগারে কেন পাঠানো হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তার দাবি, উপজেলা নেতারা জেলা আওয়ামী লীগের অনুমতি নিয়ে তাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করেছে।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জানান, পুলিশ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পেয়েছিল বলে তাকে (শহিদুল্লাহ) আসামি করে কারাগারে পাঠিয়েছিল। শুধু জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলে কারাগারে পাঠানোর প্রশ্ন আসে না। সূত্র-যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন