• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

ঈদের ছুটি : কক্সবাজার সৈকতে মানুষ আর মানুষ

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩০৪ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ৪ মে, ২০২২
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের ঢল।

বিশেষ প্রতিবেদক:
ঈদের টানা ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকত কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ঈদের পর দিন বুধবার (৪ মে) সকাল থেকে সৈকতনগরীতে পৌঁছে গেছে লাখো পর্যটক। সমুদ্রসৈকত ছাড়াও মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি ঝরনা, ইনানী ও পাটুয়ারটেকের পাথুরে সৈকত, শহরের অজ্ঞমেধা ক্যাং ও বার্মিজ মার্কেট, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক এবং রামুর বৌদ্ধমন্দিরসহ নানা পর্যটন কেন্দ্রে ভীড় বেড়েছে।

পর্যটন শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস ও কটেজ রয়েছে অন্তত ৫১৬টি। এসব আবাসিক হোটেলে কক্ষ রয়েছে ২০ হাজারের মতো; যাতে ধারণক্ষমতা ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি। আর ছুটির দিনগুলোয় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত পর্যটক সমাগম হয় বলে অনেককে হোটেল কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। সেই হিসাবে কক্সবাজারে প্রতিদিন আবাসিক হোটেলগুলোয় দেড় লাখের বেশি পর্যটক থাকা সম্ভব নয়।

হোটেল কক্স টুডের পরিচালক আবু তালেব বলেন, ‘সোমবারই আমাদের সব কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এখন শুধু আসার পালা। আমরাও পর্যটকদের জন্য নানা আয়োজন রেখেছি। যাতে তারা এবারের ঈদের ছুটি ভালোভাবে কাটাতে পারেন। আগামী কয়েক দিনের এই জমায়েতকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে জেলা প্রশাসন। ট্যুরিস্ট পুলিশ, সৈকতকর্মী ছাড়াও নতুন করে চারজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে স্পেশাল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, ‘ইতোমধ্যে কক্সবাজারে পৌঁছেছে দুই লাখের মতো মানুষ। সৈকতের দর্শনার্থীদের তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ছয়টি ট্যুরিস্ট হেল্পডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি হেল্পডেস্কে ফাস্ট এইড বক্স সরবরাহের মাধ্যমে পর্যটকদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।’ ইতোমধ্যে সমুদ্রসৈকত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং সাতটি পর্যবেক্ষণ সেন্টার স্থাপনের কাজ সমাপ্ত করেছি।

এ ছাড়া সমুদ্রসৈকতে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত উদ্ধারপূর্বক অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্যে চাইল্ড সাপোর্ট সেন্টার এবং পর্যটকদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল, মানিব্যাগ বা অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের লক্ষ্যে প্রত্যেকটি হেল্পডেস্কে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন