• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

আরও ১২ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : / ৯৮ বার ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে আবারও একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে টেকনাফে ফেরার পথে শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে শাহপরীর দ্বীপের নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন নাফ নদী থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গফুর আলম।

তিনি বলেন, আরাকান আর্মির সদস্যরা ধাওয়া করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১২ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। বিষয়টি প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন আলি আহমদ, মোহাম্মদ আমিন, ফজল করিম, কেফায়েত উল্লাহ, সাইফুল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, মো. রাসেল, মো. সোয়াইব, আরিফ উল্লাহ, মোহাম্মদ মোস্তাক, নুরুল আমিন এবং মো. আরফান। তারা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা।

যে ট্রলারটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটির মালিক শাহপরীর দ্বীপের সুলতান আহমদের ছেলে মো. ওসমান।

এ বিষয়ে জানতে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের কমান্ডারের নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

তবে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে কণেল আশিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তাদেরকে অবহিত করা হয়নি। এ ব্যাপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, শাহপরীর দ্বীপ কোস্টগার্ড ও স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি।  সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

এদিকে এর আগে দুই দফায় ধরে নিয়ে যাওয়া ৭ জেলে এখনও আরাকান আর্মির হাতে জিম্মি রয়েছেন। তাদের এখনও ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। যার মধ্যে গত ১২ আগস্ট সকালে বঙ্গোপসাগরের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

তারা হলেন, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়ার ইলিয়াস, আক্কাল আলী, নুর হোসেন, সাবের হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

এর আগে ৫ আগস্ট টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদী থেকে উসমান গনি এবং আব্দুল করিমকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন