• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

কক্সবাজারে ‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা’ বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিদেক / ৫৬৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার সদর (কক্সবাজার শহর)-এর প্রায় অর্ধেক জনগণ খাদ্য বিষয়ক ঝুঁকির সম্মুখীন এবং কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে জীবিকা ও উপার্জনে ব্যাপক মন্দার কারণে এইসব মানুষকে খাদ্য জোগাড় করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর একটি মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কক্সবাজার আরবান ভালনারেবিলিটি এসেসমেন্ট নামে ওই পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জরিপকৃত জনগণের ৪০ শতাংশেরই মার্চ মাস থেকে কোনো আয়-উপার্জন নেই এবং ৪৮ শতাংশ মানুষকে পর্যাপ্ত খাবার কিনতে বেশ কষ্ট পেতে হয়েছে। ফলে, এসব মানুষ বাংলাদেশ সরকার ও দাতা গোষ্ঠীর মতো বাহ্যিক সহায়তার ওপর ব্যাপকমাত্রায় নির্ভর করে আসছে।

ডব্লিউএফপি কক্সবাজার-এর সিনিয়র ইমার্জেন্সি কোঅর্ডিনেটর শিলা গ্রুডেম বলেন, “কোভিড-১৯ কেবলমাত্র একটি স্বাস্থ্যগত সংকটই নয়, এর পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য এটি একটি আর্থ-সামাজিক সংকট। বাংলাদেশে শহরে বসবাসকারী জনগণ এবং জীবন-জীবিকার জন্য পর্যটন ও মজুরি খাতের ওপর নির্ভরশীল মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

দিনমজুরীর সাথে সম্পৃক্ত মানুষের আয় কমেছে ৭০ শতাংশেরও বেশি। আর যেসব মানুষ স্বনির্ভর, তাদের আয় কমেছে ৪৪ শতাংশ। লকডাউনের সময় ব্যবসায়ীদের আয় তাদের স্বাভাবিক আয়ের তুলনায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে।

গত এপ্রিল মাসে, কক্সবাজারে ঝুঁকির মুখে থাকা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তার সম্পূরক সহায়তা হিসেবে খাদ্য ও অর্থ-সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে ডব্লিউএফপি কক্সবাজারে একটি কর্মসূচি শুরু করেছিল।

শিলা গ্রুডেম বলেন, “কোভিড-১৯ এর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, ডব্লিউএফপি-এর লাইভলিহুডস্, স্কুল ফিডিং ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান করেছি। এখন আমরা কক্সবাজার সদরের ৬২ হাজারেরও বেশি মানুষসহ কক্সবাজার জেলার ৫ লক্ষ মানুষকে আমাদের এই সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন