• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

ক্যাম্প থেকে ৯ রোহিঙ্গা শিশু অপহরণ : উদ্ধার ৩, চক্রের ৯ সদস্য আটক

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ১৪৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩

ক্যাম্প থেকে ৯ রোহিঙ্গা শিশুকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মানবপাচারকারি চক্রের ৯ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে অপহৃত ৩ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপর ৬ শিশুকে উদ্ধার ও চক্রের অন্য সদস্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (৮ জুলাই) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়াস্থ ৮ এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) সহকারি পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ।

উদ্ধার শিশুরা হলো ক্যাম্প-১৩ এর ইলিয়াসের ছেলে সৈয়দ নুর, একই ক্যাম্পের সোনা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ হাসান ও মো. তাহেরের ছেলে আনিসুর রহমান।

আটকরা হলেন- নুরুল আমিন, মো. ফয়সাল, মো. শফিকুল, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ পারভেজ। তারা সবাই টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা। এ ছাড়া মো. মোবারক ও মো. আমিন উখিয়া ক্যাম্পের বাসিন্দা।

অপরদিকে এখনও হদিস মেলেনি নুর আলম, সৈয়দুল মোস্তফা, ওসমান, রিমন, কামাল মোস্তফা ও হারেছ নামে শিশুদের।

সহকারি পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, গত ২ জুলাই বেলা ১১টার দিকে একটি অপরাধী চক্র টেকনাফে সুপারি পাড়া ও গাড়িতে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ক্যাম্প-১৩ থেকে মোহাম্মদ হাসান, আনিসুর রহমান ও নুর আলমকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদেরকে আটকে রেখে তাদের স্বজনদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়।

এরপর গত ৬ জুলাই বেলা ১২টার দিকে একই অপরাধী চক্র একই কায়দায় ক্যাম্প-১৩ ও আশপাশের এলাকা থেকে সৈয়দ নূর, সৈয়দুল মোস্তফা, ওসমান, রিমন, কামাল মোস্তফা ও হারেছকে অপহরণ করে টেকনাফ নিয়ে যায়।

সহকারি পুলিশ সুপার বলেন, অপহরণের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর শুক্রবার অভিযান চালিয়ে টেকনাফের দক্ষিণ লম্বরি পাড়া দুর্গম স্থানের সুপারি বাগানের ভেতর থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা ৩ শিশুকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উখিয়ার কুতুপালং এবং টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরি এলাকার বিভিন্ন দুর্গম স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের ৯ সদস্যকে আটক করা হয়। এই ৯ জনের স্থানীয় বাসিন্দা ৭ জন ও রোহিঙ্গা রয়েছে ২ জন।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা হতে কাজের প্রলোভনে টেকনাফ এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ লম্বরি এলাকায় সুপারি বাগানের ভিতরে নির্জন স্থানে আটক রাখে। পরে তাদের চোরাপথে নৌকাযোগে মিয়ানমারের শামিলা এলাকায় পাঠিয়ে দেয়। তারপর অপহৃতদের স্বজনদের কাছে বড় অংকের টাকা আদায় করে মুক্তি দেয়। অনেক সময় এই অপরাধ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন