ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের কারণে অর্থনৈতিক খাতের পর কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে স্বাস্থ্যসেবায়। জনবহুল এলাকার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের চাপ সামলাতে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। সেই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য কক্সবাজার ১০০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক পুনঃনির্মাণ করা হচ্ছে। যেখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসা সুবিধা যুক্ত থাকবে।
রোববার (২ অক্টোবর) কক্সবাজারের টেকনাফে পুনঃনির্মিত ১২ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মহাপরিচালক আবুল বাশার মুহাম্মদ খুরশিদ আলম, আইওএমের হেড অব মিশন আব্দুস সাত্তার, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কক্সবাজার জেলায় ১০০ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের পুনঃনির্মাণের কাজ চলছে। এরমধ্যে ১২ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের নির্মাণ কাজ ও যন্ত্রপাতি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই ১২ টি ক্লিনিক স্বাস্থ্যবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে বাস্তবায়নকারী সংস্থা আইওএম। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে বাকি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ করে হস্তান্তর করবে সংস্থাটি। এরফলে কক্সবাজারের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা নতুন মাত্রা পাচ্ছে।