• রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

এতো বন্দুকযুদ্ধ : তবুও উখিয়া-টেকনাফে ইয়াবা কারবার বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৩০ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার ফের বেড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অভিযান চালিয়ে দুই দিনে তিন লাখ ৬৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে এক রোহিঙ্গাকে।

এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খান পিপিএম জানিয়েছেন, উখিয়ায় ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ১৬ নম্বর ব্লকে রোহিঙ্গা সাদেক হোসেনের (২৫) বসতঘরে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় এক লাখ ৬৯ হাজার পিস ইয়াবা। সাদেক হোসেনকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে উখিয়া থানায় মামলা হয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক জানান, গত দেড় মাসে বিজিবি টহল দল অভিযান চালিয়ে ১৪ লাখ ৮০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা এবং ১৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করেছে। উদ্ধার মাদকের মূল্য ১১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা বলে জানান তিনি।

এদিকে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় মাদক পাচার বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়। সভায় কপবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সুফিয়ান জানান, গত জানুয়ারি মাসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে ২৬৪ কোটি টাকা মূল্যের মাদক উদ্ধার হয়েছে। এ সময় বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা। পুলিশ উদ্ধার করেছে ১৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে, কোস্টগার্ড ৫০ কোটি টাকার এবং র‌্যাব প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক উদ্ধার করেছে।

সভায় সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, সীমান্তে মাদক উদ্ধারের পরিমাণ বেড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ ব্যাপারে সক্রিয় রয়েছে। এ ব্যাপারে জনপ্রতিনিধিসহ সব মহলকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

কক্সবাজারের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, আত্মস্বীকৃত ইয়াবা গডফাদারদের সবাই জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছে। তাদের কেউ কেউ আবারও মাদক পাচারে সক্রিয় হয়েছে বলে খবর পাচ্ছি। তাদের ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সক্রিয় হতে হবে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, কেউ জামিনে বেরিয়ে এসে ফের ইয়াবা পাচারে সক্রিয় হচ্ছে কিনা, পুলিশ খতিয়ে দেখছে। গত মাসে টেকনাফের হ্নীলা এলাকা থেকে এক ইউপি মেম্বারের ছেলে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক হয়। সে আত্মসমর্পণ করে দীর্ঘদিন জেলে ছিল। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়েছিল। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখন মাদক পাচারে জড়িত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন