• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

পিএমখালীর সেই আলোচিত কাটা পাহাড়ে অবশেষে বনায়নের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিদেক / ২১৪ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পিএমখালীতে বহুল আলোচিত পাহাড় কাটার স্থানে অবশেষে বনায়ন করছে বন বিভাগ। পরিবেশবাদিদের দাবির মুখে বন বিভাগ টহল জোরদার করে পাহাড়ের কর্তনকৃত অংশে বনায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সেখানে আনুমানিক ৫/৬ একর কাটা পাহাড়ে শিমুল, কদম, জারুল, অর্জুন, আকাশমনি, কড়ই, বহেরা ও ইপিলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চার হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে বনায়নের কাজ চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা ঘোনারপাড়ার তেইল্ল্যাকাটা এলাকায় রক্ষিত ও সংরক্ষিত বনভূমিতে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে আসছে পাহাড়খেকো সিন্ডিকেট। সর্বশেষ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৭ মাসে আনুমানিক ১০ একরের ৫/৬ টি পাহাড় কেটে প্রায় দুই কোটি ঘনফুট বালি বিক্রি করে চিহ্নিত পাহাড়খেকো ৩২ মামলার আসামি ওবায়দুল করিম সিন্ডিকেট। ওই সময়ে নির্বিচারে বনভূমির আনুমানিক ২০ হাজার গাছ কেটে নেয়া হয়। প্রকাশ্যে এভাবে ২১ টি ডাম্প ট্রাক নিয়ে পাহাড় কাটার ঘটনা সামনে নিয়ে আসেন পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ। এছাড়া কক্সবাজার সচেতন নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব মোরশেদ আলম ও সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম পৃথকভাবে দুটি অভিযোগ দায়ের করেন পাহাড়খেকো সিন্ডিকেট সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এবিষয়ে পূর্বকোণসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পাহাড় কাটায় কারা জড়িত এবং কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানাতে আদালত স্বপ্রনোধিত আদেশ দেয়। পরে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর সরেজমিন পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শন করেন। দেড় কোটি ঘনফুট পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ায় জড়িত ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর।

পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘বন বিভাগের এক কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রকাশ্যে আনুমানিক ২০ হাজার গাছ কেটে প্রায় ১০ একর আয়তনের ৫/৬ টি পাহাড় কেটে নেয় একটি সিন্ডিকেট। আমাদের দাবির মুখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পাহাড় কাটা বন্ধ করে সেখানে বনায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বন বিভাগের এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।’

বনায়ন প্রসঙ্গে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, ‘ওবায়দুল করিম নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে আনুমানিক ১০ একরের বনাঞ্চলে গাছ ও পাহাড় কাটা হয়েছে। সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে বন আইনে ২৮টি মামলা করা হয়েছে। এখন টহল জোরদার করে কর্তনকৃত পাহাড়ে বনায়ন করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন