মুহাম্মদ হোসাইন
কক্সবাজার জেলার উখিয়ার সোনারপাড়া খেলারমাঠ আসলে কি নতুন না পুরাতন? এটা কি আজকের সৃষ্টি না ৬০বছর আগে হয়েছে?
গ্রামের শিশুদের বিনোদনের জায়গায় ভবন কার স্বার্থে? রোহিঙ্গারা খেলারমাঠ পেলে আমরা পাবোনা কেন?
বিষয়টি নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হোক!
খেলারমাঠে এলাকাবাসী কোন বাড়িঘর করবে না!
তারা কোন স্থাপনা করবেনা!
মাঠটি আসলে সবার জন্য!এবং জনস্বার্থে ব্যবহার হয়।
কি কারণে ইউএনও নিজাম উদ্দিন ও এসিল্যান্ড আমিমুল এহসান খান
উখিয়ার সোনারপাড়া এলাকাবাসীর উপর ২মে-২০২১ কোন কারণ ছাড়া খেলারমাঠ ও চলাচলের রাস্তায় তারা হামলার নির্দেশনা দিয়েছিলো?
কোন কারণ ছাড়া অাটক করে লোকজন নিয়ে গেলো!
যে ভবন নিয়ে ঘটনা সেই ভবনে এলাকার বাঁধা কেন ছিলো সেটা নিয়ে দেখি কেউ কথা বলেনা!
যেখানে ভবন করার চেষ্টা করছে
সেই জায়গা দিয়ে…..
বিশ্বাস না হলে এলাকার মাঠে গিয়ে পরিদর্শন করে অাসতে পারেন!
মাঠে ভবন করতে অাসার আগে স্কুলের কর্তৃপক্ষ বা এসিল্যান্ড ইউএনও সে দিন কেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা এলাকার কোন মেম্বার বা চেয়ারম্যান বা এলাকার গণ্যমান্য লোকজন এমনকি স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি বা সম্পাদকসহ রাজনীতিবীদদের না জানিয়ে কতিপয় স্কুলের টাকা লোটপাটকারী এবং স্কুলের নিয়মিত একাউন্ট হোল্ডার মিলে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ ভূয়া তথ্য দিয়ে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে হামলা করলো?
কেন টিয়ারগ্যাস মারলো?
কেন গুলি করা হলো?
ঘটনার দিন সকাল থেকে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলো শুধু এলাকার লোকজনের বিরুদ্ধে কথা বলার এবং হামলা করার জন্য!
কেন তারা টাকা বিনিয়োগ করে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালালো!
ভবনটা তো এলাকার জন্য করছেন?
বাঁধাটা কেন?
একবারও ভাবলেন না কেউ ?
এসব বাস্তবতা তুলে না ধরে শুধু ঘটনার পরিসমাপ্তি করা হয়েছে নাটকীয়ভাবে!
যে ইউএনও শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দেয়ার কথা সেই জায়গায় তিনি বিশেষ কিছু লোকের কথায় গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন??
এলাকার লোকজন কখনো বলেনি ভবন হবে না!
তারা বারবার বলেছে মাঠ ঠিক রেখে করা হোক।
কে শুনে কার কথা!
তারা যেন এলাকার বিরুদ্ধে মহাক্ষোভে নিমজ্জিত!
অথচ এই গ্রামবাসী ভবনের জন্য জায়গা করে দিয়েছিলো! ১৫০ টাকা দামের স্টাম্পে লিখত ২০০১ সালের চুক্তিপত্র ইউএনও নিজেই দেখেছিলো!
খেলারমাঠ সংরক্ষনের বিষয়ে।
আজ তারা এলাকাবাসী সবাই হয়ে গেলো অপরাধী!
হয়ে গেলো মামলার আসামী!
মাঠ রক্ষার কথা বলায় খোদ ইউএনও নিজাম উদ্দিন এসিল্যান্ড আমিমুল এহসান খান এবং মিলন কুমার বড়ুয়া-নাসির- আবু তাহের-ওমেদার রাসেল প্রকাশ ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল সিন্ডিকেট মিলে দিনদুপুরে শান্ত গ্রামবাসীর উপর যে হামলা করা হয়েছে এমনকি সেখানে আচমকা নিজাম উদ্দিনের ক্ষমতা প্রয়োগে গ্রেপ্তার করা লোকজন জড়িয়ে ৩ টি মামলা দিয়ে নারী- শিশুদের হয়রানী করা হচ্ছে তা অবিলম্বে বন্ধ করাসহ জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনার জোরদাবী জানাচ্ছি।