নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের বৌদ্ধমন্দির এলাকায় চোলাই মদের ডিপোতে হানা দিয়ে প্রায় ৩৫ লিটার মদ জব্দ করেছে পুলিশ। এসময় হাতেনাতে এক মহিলাকে আটক করলেও এক লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাস্থলে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে অভিযানকারী পুলিশ সদস্যেদের বিরুদ্ধে।
নগদে এক লাখ টাকা নিয়ে তাড়াহুড়া করে কিছু চোলাই মদ নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই জামালসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এসময় অভিযানকারী পুলিশদের সাথে কয়েকজন দালালও ছিল বলে জানা গেছে ।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩ টার দিকে বৌদ্ধ মন্দির এলাকার লা লা ওয়ান (২৮) এর বাড়িতে (জামাই ঘর) এই অভিযান চালায় পুলিশ।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মো. ইয়াছিন বলেন, মঙ্গলবার বিকালের দিকে এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই জামালসহ পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম বৌদ্ধ মন্দির এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লিটার চোলাই মদ জব্দ করে। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থলে টাকার বিনিময়ে একজনকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, লেনদেনের বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জানি না। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে কোনো তথ্য পেলে আপনাকে অবগত করব।স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, বিকাল ৩ টার দিকে সিএনজি টেক্সী নিয়ে আসা একদল পুলিশ সদস্য লা লা ওয়ানের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালান। অভিযানে বিপুল পরিমান চোলাই মদ জব্দ করেন। অভিযানে চাথেন রাখাইন নামে একজন দালালও ছিল পুলিশের সাথে। অভিযানে মদের সাথে এছেন রাখাইন (২২) কে আটক করে দ্বিতীয় তলায়। আটকের পর ঘটনাস্থলে লাখ টাকার লেনদেন হয়। টাকা নেওয়ার পর এছেন রাখাইনকে ঘটনাস্থলে ছেড়ে দিয়ে প্রায় ৩৫ লিটার চোলাই মদ নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন পুলিশ সদস্যরা। এমনকি বিপুল পরিমান মদও রেখে আসে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় দালাল চাথেন রাখাইনের মাধ্যমে ঘটনাস্থলে লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মনিরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কিছু চোলাই মদ জব্দ করা হয়েছে। এসময় কোন আসামীকে পাওয়া যায়নি। লেনদেনের বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।
এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন মহেশখালীতে ছিলাম। অনেক সাংবাদিকদের সাথে আমার সর্ম্পক আছে।