কক্সবাজার অফিস:
লকডাউনের নামে ব্যারিকেড দিয়ে এবার কক্সবাজার কলাতলী দরিয়ানগরস্থ বড়ছড়ার তীরে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে রেজাউল করিম নামে একব্যক্তির বিরুদ্ধে।
দরিয়া নগর ব্রীজের পূর্বপাশে বড়ছড়ার তীরে গত এক সপ্তাহ ধরেই কালো পলিথিনের আড়াল দিয়ে নির্মাণ হচ্ছে স্থাপনা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে প্রতিরাতেই শ্রমিক লাগিয়ে স্থাপনাটি নির্মাণ করে যাচ্ছে রেজাউল। সে বড়ছড়া এলাকার দানু মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, দরিয়া নগর ব্রীজের পূর্বপাশে বড়ছড়ার তীরে বেশ কয়েকটি অবৈধ ঝুঁপড়ি দোকান ঘর রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। স্থানীয় কয়েকজন পাতি নেতা প্রভাব দেখিয়ে বড়ছড়ার তীরে বাঁশ ও টিন দিয়ে ঝুঁপড়ি তৈরি করে রেখেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার সেখানে উচ্ছেদ অভিযানও চালিয়েছিল বিদায়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। উচ্ছেদের পর সেখানে কোনো স্থাপনা ও দালান নির্মাণ না করতে নির্দেশনাও দিয়েছিল। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে বড়ছড়া তীরের মাঝামাঝি একটি জায়গায় ইটের দালান তৈরি হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানদার বলেন, বড়ছড়ার তীরে আর কোন ধরণের ঝুঁপড়ি বা স্থাপনা নির্মাণ না করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। কিন্তু রেজাউল করিম এই নির্দেশনা না মেনেই তীর দখল করে ইটের দালান দিয়ে স্থাপনা তৈরি করছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসন যখন সচেতনতামূলক কাজে ব্যস্ত ঠিক সেই সময়ে স্থাপনার কাজ শুরু হয়েছে। এমনকি বড়ছড়া এলাকার প্রবেশ মূখে লকডাউনের নামে ব্যারিকেড দিয়ে ইটের দালান তৈরি করছে রেজাউল। রেজাউল নিজেই এই ব্যারিকেড দিয়েছে অবৈধভাবে দালান তৈরির কাজ সহজ করতে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে স্থাপনা নির্মাণের সামনে কালো পলিথিনে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রতিরাতেই ৬ থেকে ৭ জন শ্রমিক লাগিয়ে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে রেজাউল। প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে এই নির্মাণ কাজ করছে বলে এলাকায় প্রচারও করে যাচ্ছে সে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে রেজাউল করিম বলেন, জায়গাটি একজনে আমাকে দিয়েছে। বড়ছড়ার পাশেই জায়গাটি। স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে প্রশাসন অবগত আছে। সবার থেকে অনুমতি নিয়েই করা হচ্ছে। সেখানে আর কেউ কিছু করতে পারবে না।