বিজিবি জওয়ানেরা টেকনাফের হোয়াইক্যং ও সাবরাং এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। তবে উভয় অভিযানে মাদক চোরাকারবারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ (বিজিবিএমএস) ৮ মে জানান, মিয়ানমার হতে মাদকের চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৭ মে রাত ৯টার দিকে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং ঝিমংখালী বিওপির জওয়ানেরা ঝিমংখালী বিওপির ২শ গজ উত্তর-পূর্বদিকে জনৈক ইসহাকের মৎস্যঘেঁর এলাকায় বিশেষ একটি টহল দল কৌশলী অবস্থান নেন। কিছুক্ষণ পর ৩ জন মানুষ ২টি প্লাস্টিকের বস্তা কাঁধে নিয়ে ১২০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে কাঞ্জর খাল দিয়ে আসতে দেখে বিজিবি জওয়ানেরা তাদের দাড়ানোর জন্য চ্যালেঞ্জ করে।
তখন তারা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে কাঁধে থাকা প্লাস্টিকের বস্তা ২টি ফেলে দ্রæত কেওড়া বনের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণের পর কাউকে না পেয়ে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে বস্তা ২টি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ২ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
এছাড়া একই রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবরাং বিওপির বিশেষ একটি টহল দল মাদকের চালান প্রবেশের খবর পেয়ে ক্যাম্পের উত্তর-পূর্বদিকে মহেশখালীয়া গোদা নামক স্থানে কৌশলী অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ২জন লোককে একটি কালো পলিথিন নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করতে দেখে দাড়ানোর জন্য চ্যালেঞ্জ করে। তখন তারা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে হাতে থাকা পলিথিনের ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে ব্যাগটি উদ্ধার করে তল্লাশী চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পৃথক অভিযানে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।
পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হবে।