টেকনাফের হোয়াইক্যং কাঞ্জরপাড়ায় মাদক চোরাকারবারী দম্পতির বসত-বাড়িতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ স্ত্রীকে আটক করেছে। এ ঘটনায় স্বামীকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২১ আগস্ট টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (বিশেষ জোন) সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ আগস্ট রাত সোয়া ১১টায় তাঁর দিক-নির্দেশনায় উপপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন, তুমনি চাকমা, সহকারী উপ-পরিদর্শক আমজাদ হোসেন, সিপাহী আল মামুন সরকার, অপারেটর মো. হাসিবুর রহমান, রীনা বেগম ও গাড়ি চালক মো. শাহিনের সমন্বয়ে একটি রেইডিং টিম উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জর পাড়ার মৃত আব্দুল জাব্বারের পুত্র মাদক চোরাকারবারী জিয়া উদ্দিন ওরফে বাবুল শিকদার (৩৮) এর বসত-বাড়িতে অভিযানে যায়। এসময় বাবুল শিকদারের স্ত্রী রুজিনা আক্তারকে (২০) ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্বামী-স্ত্রীর মাদক চোরাচালানের বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে তার দেখানো মতে ভাড়াটে লোক দিয়ে অভিনব কায়দায় তৈরী করা পুটলা খেয়ে পাচারের জন্য মওজুদ করা ঘরের দক্ষিণ পাশের শয়ন কক্ষের বালিশের কভারের ভেতর হতে ক্যাপসুল সাদৃশ ৬০টি পুটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ক্যাপসুলে ১০০টি করে মোট ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় বাড়ির মালিক জিয়া উদ্দিন ওরফে বাবুল শিকদার পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ডিএনসির পরিদর্শক বিদ্যুৎ বিহারী নাথ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলায় জিয়া উদ্দিন ওরফে বাবুল শিকদারকে ১ নম্বর পলাতক আসামী এবং ইয়াবাসহ ধৃত রুজিনা আক্তারকে ২ নম্বর আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (বিশেষ জোন) হেফাজতে রয়েছে।