• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

টেকনাফের ৬ ট্রলার ও জেলেদের ছেড়ে দিল মিয়ানমার

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : / ১৪২ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪

বঙ্গোপসাগরের সেন্ট মার্টিনের অদূরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে মারা গেছেন বাংলাদেশি এক জেলে। একই সঙ্গে দুজন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবর্ষণের পর বাংলাদেশি ৬টি ট্রলারও নিয়ে গিয়েছিল তারা। ওই ট্রলারে ৫৮ জন জেলে ছিলেন।

এক দিন পর বৃহস্পতিবার তাদের দুই দফায় ছেড়ে দিয়েছে মিয়ানমার নৌবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে একটি ট্রলারে একজন জেলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ ও দুজন গুলিবিদ্ধ জেলেসহ ১১ জন জেলে টেকনাফের সর্বশেষ সীমান্ত শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে ফিরে আসে। অন্য ৫টি ট্রলার ছেড়ে দেওয়ার পর প্রথমে সেন্ট মার্টিনে, পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে পৌঁছে। এসব ট্রলারে ৪৭ জন জেলে ছিলেন।

টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশন, সেন্ট মার্টিন স্টেশন ও শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশি ৬ ট্রলার ও ৫৮ মাঝিমাল্লাকে মিয়ানমার নৌবাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে প্রশাসন ও কোস্ট গার্ড তাদের ফিরিয়ে আনতে জোর চেষ্টা শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর প্রথমে একটি ট্রলার ও পরে অন্য ৫টি ট্রলার ছেড়ে দেয় মিয়ানমার।

গত বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দাদের মালিকানাধীন ওই ৬টি ট্রলার সেন্ট মার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমার নৌবাহিনীর কবলে পড়ে।

ওই সময় বাংলাদেশি ট্রলার লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে মিয়ানমার।

মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশি এক জেলে। মো. ওসমান নামের ওই জেলে শাহপরীর দ্বীপের কোনারপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তিনি শাহপরীর দ্বীপের বাজারপাড়া এলাকার সাইফুল কম্পানির মালিকানাধীন ট্রলারের জেলে। আহত গুলিবিদ্ধ দুই জেলেও ওই ট্রলারে সাগরে গিয়েছিলেন।

গুলিবিদ্ধ জেলেরা হলেন শাহপরীর দ্বীপ বাজার পাড়ার বাসিন্দা রাজু ও আরেকজন মাঝের পাড়ার মো. রফিক। তবে অন্য জেলেদের নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্রলার মালিকরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের মৌলভীর শিল নামের বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।

ধরে নিয়ে যাওয়া ৬টি ট্রলারের মালিক হলেন শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়ার মুসলিম মিয়ার ছেলে মতিউর রহমান, মৃত আলী হোছনের ছেলে আবদুল্লাহ, তার ভাই আতা উল্লাহ, উত্তরপাড়ার ছৈয়দ মাঝির ছেলে মো. আছেম ও বাজার পাড়ার সাইফুল কম্পানি। প্রথম ফিরে আসা ট্রলারটিতে একটি মরদেহসহ ১২ জন ও সন্ধ্যায় ফেরত আসা ৫টি ট্রলারে ৫৮ জন জেলে ছিলেন।

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুস সালামও এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তার এলাকার ৬টি ট্রলার সেন্ট মার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যায়। এ সময় মিয়ানমারের নৌবাহিনী গুলিবর্ষণ করে। এতে একজন মারা যায়। এ ছাড়া আরো দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর তিনি পেয়েছেন।

শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল হক জানান, নিহত ও গুলিবিদ্ধ জেলেসহ ১১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে একটি ট্রলার দুপুর দুইটার দিকে শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে ফিরেছে। অন্য ৫টি ট্রলার ৪৭ জন জেলে নিয়ে ফিরে আসে সন্ধ্যা ৬টার দিকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন