• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

খুরুশকুলে বড় ভাইকে দা’য়ের কোপ ছোট ভাইয়ের

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৬০ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০২২
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন লুতু মিয়া।

কক্সবাজার অফিস:
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে বড় ভাই গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ গিয়ে ১৪৪ ধারার একটি নোটিশ দেওয়ার পরপরেই বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে খুরুশকুল কাউয়ার পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত লুতু মিয়া (২৮) কে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লুতু একই এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে।

লুতুর বড় ভাই শফিউল বলেন- সকালে কাউয়ার পাড়ায় আমার জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণের কাজ করি। এসময় কক্সবাজার সদর থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন আদালতের একটি ১৪৪ ধারা নোটিশ নিয়ে হাজির হন। এর বাদি হলেন আমার ছোট ভাই জসিম উদ্দিন এবং বিবাদী করা হয়েছে আমাকে।

তিনি বলেন- বসতভিটা নিয়ে আমার ছোট ভাই জসিমের সাথে আমার অপর তিন ভাইয়ের ঝামেলা হয়েছিল অনেক আগে। গত কয়েক মাস আগে স্থানীয় বৈঠকে তার সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু আজ বুধবার হঠাৎ করে নোটিশ দেওয়ার কারণ বুঝিনি। এনিয়ে জসিমের সাথে আমার ভাইদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই জসিম সাঙ্গপাঙ্গো নিয়ে এসে লুতু মিয়াকে দা’য়ের কোপ দেয়। এসময় সদর থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেনি। তিনি ঘটনাস্থলের একটু দূরে ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লুতুকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জসিম উদ্দিন বলেন- আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। রাস্তায় ছিলাম। লুতুর সাথে আমার ঝামেলা নেই। হয়ত নিজের কোপ নিজে খেয়ে আমার নাম জড়িয়ে দিচ্ছে।

এবিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন বলেন- আদালত থেকে ১৪৪ ধারার একটি নোটিশ থানায় পৌছানো হয় গত মঙ্গলবার (১১ অক্টেবার)। নোটিশটি আজ বুধবার সকালে কাউয়ার পাড়ায় দিতে যায়। সেখানে গিয়ে বিবাদী শফিউল ও বাদির ভাগিনাকে নোটিশ দিয়ে আসি।

তিনি বলেন- ঘটনার সময় আমি জায়গায় ছিলাম না। আমি চলে আসার কিছুক্ষণ পর ঘটনা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কতটুকু সত্য তা জানি না।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল ত্যাগ না করার আগেই কোপানোর ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নয়। তবে এবিষয়ে কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন