• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

খুরুশকুলে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির হিড়িক

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩০৮ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
যাদের নেতৃত্বে খুরুশকুলে চলছে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির হিড়িক পড়েছে। চিহ্নিত পাহাড়খেকোরা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে প্রকাশ্যে দিনে রাতে মাটি বিক্রি করে আসলেও বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জেলা-উপজেলা প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানিয়েছেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইল এলাকায় বিশাল পাহাড় কেটে দিনে-রাতে ডাম্পার দিয়ে মাটি বিক্রি করছেন খুরুশকুলের তেতৈয়ার হেলাল উদ্দিন, মনিউল হক, আবছার, কায়ছার, মামুন, ও কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার নাছির উদ্দিন রুনোর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট।

এছাড়া তেতৈয়া, আদর্শগ্রাম, ঘোনাপাড়া, রুহুল্লার ডেইল, ডেইলপাড়া, মেহেদীপাড়া, নতুন ঘোনাপাড়া, ফকিরের দোকান সহ বিভিন্ন এলাকায় সিন্ডিকেটটি ১০/১২ টি ডাম্পার নিয়ে দেদারসে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করে আসছে। পাহাড়ের মাটি নিচু জমি ভরাটে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিন্ডিকেট সদস্যদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক মামলা থাকলেও বর্তমানে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ম্যানেজ করে পাহাড় কাটছে বলে অভিযোগ। ফলে তাদের বিরুদ্ধে এখন আর মামলা হচ্ছে না। যার কারণে পাহাড় কাটা বাড়ছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের পিএমখালী রেঞ্জের খুরুশকুল বন বিটের বিট কর্মকর্তা মাসুম মাদবর বলেন, ‘অনেকেই রাতে পাহাড় কাটছে। খবর পেলেই আমরা অভিযান চালাচ্ছি। কিন্তু পাহাড় কাটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।’

পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘হাতেগোনা ৭/৮ জন মানুষের হাতে পুরো খুরুশকুল ইউনিয়নের পাহাড় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাহাড় কর্তনে জড়িত মাত্র কয়েকজন অপরাধীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকারি প্রশাসন। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে এসব অপরাধ কমতে বাধ্য। কিন্তু কেন পাহাড় কাটা থামানো যাচ্ছে না তা প্রশ্ন তৈরী করেছে।’ পাহাড় কর্তনকারী সিন্ডিকেট সদস্য মনিউল হকের বক্তব্যের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন