• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

করোনা সংকটে শিক্ষাবৃত্তি পেয়ে খুশি ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর ২৬ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩০৩ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০

ভয়েসওয়ার্ল্ড প্রতিবেদক:

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের গত ৩ মাস ধরে থমকে রয়েছে বাংলাদেশ। দফায় দফায় লকডাউনের কারণে ভঙ্গুর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে অর্থনীতির। কর্মহীন হয়ে পড়ায় লাখ লাখ মানুষ মানবেতর দিনযাপন করছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক শিক্ষা বৃত্তি পেয়ে যেন মাথার উপর খানিক ছাদ পেয়েছে কক্সবাজারের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে জেলা প্রশাসনের শহীদ এটিএম জাফর আলম সিএসপি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় হতে ‘সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ প্রকল্প থেকে ২৬ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ২৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এই শিক্ষা বৃত্তি ২০১৯-২০ অর্থ বছরের।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ এথিন রাখাইন ও কক্সবাজার সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ক্য থিং অং।

শহরের পূর্ব মাছ বাজার এলাকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজম্যান্ট ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়ান জ্য রাখাইন বলেন, করোনা সংকটকালে পরিবারের সব আর্থিক উৎস বন্ধ হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া দায় হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক এই শিক্ষাবৃত্তি পেয়ে সকলেই উচ্ছ্বসিত। এই সংকটে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে বৃত্তির টাকা।

একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী নীলা ওয়ান বলেন, করোনাকালে সর্বত্র অস্থিরতা বিরাজমান। এই মহাসংকটে প্রধানমন্ত্রী নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর খবর রেখেছেন। তার জন্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীরা কৃতজ্ঞ। এই অর্থ শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

চৌফলদন্ডী রাখাইন পাড়ার বাসিন্দা ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র জনাইন বলেন, এই দুঃসময়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ নয়। করোনাকালে শিক্ষাবৃত্তি সবার জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে। লাঘব হবে আর্থিক সংকট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন