নিজস্ব প্রতিবেদক
মহামারী করোনা সংক্রমণে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে মাত্র দিনব্যাপী হলেও এবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রক্ষার্থে পক্ষকাল ব্যাপী চলবে ক্যাম্পেইন।
আগামী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শেষ হবে ১৭ অক্টোবর। এবার কক্সবাজার জেলায় ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫৩ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল। এরমধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু ৬২ হাজার ৪২৮ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯২৫ জন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা ইপিআই সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভায় কক্সবাজারের সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর এ তথ্য জানান।
সভায় জানানো হয়, কক্সবাজারের ৮ উপজেলায় (১টি পৌরসভায় পৃথকভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হবে) একযোগে পরিচালিত হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। স্থায়ী, অস্থায়ী, ভ্রাম্যমাণ এবং অতিরিক্ত টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে ১ হাজার ৯৫১ টি। টিকাদান সফল করতে কাজ করবে ২০৮ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ১৭৩ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী, ৫ হাজার ৪০৭ জন স্বেচ্ছাসেবক। টিকাদান কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন ২১৬ জন তত্ত্বাবধায়ক।
সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, অতীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছে দিনব্যাপী। কিন্তু করোনা সংক্রমণ এড়াতে এবার ১৫ দিন ব্যাপী করা হয়েছে। তাই সবাই এক সঙ্গে না গিয়ে ধীরে ধীরে খাওয়াতে পারবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল। প্রতিটি কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, ভিটামিন এক প্লাস ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রে গিয়ে যদি কোন মা বা অভিভাবক মনে করেন করোনা সংক্রমণ এড়াতে তার সন্তানকে নিজে ক্যাপসুলটি খাওয়াবেন তাহলে সেটা করতে পারবেন। এতে স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই মা বা অভিভাবককে সহযোগীতা করবেন।
ডা. আলমগীর বলেন, নির্ধারিত বয়সের কোন শিশু যদি করোনা পজেটিভ হয় তাহলে ওই শিশুকেও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে। কারণ করোনা পজেটিভ এর সাথে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের কোন সম্পর্ক নেই।
অবহিতকরণ সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সৌনম বড়–য়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চ্যানেল আই’র কক্সবাজারস্থ স্টাফ রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক ও দৈনিক সকালের কক্সবাজারের সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল। উপস্থাপনা করেন জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম সবুজ।