কক্সবাজার অফিস:
কক্সবাজার সদরের বাংলাবাজার এলাকায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামী বেদার মিয়া সহ তিনজনকে আটক করেছে র্যাব ১৫ এর সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) রাতে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা থেকে র্যাব-১৫ তাদের আটক করেন।
আটকরা হলেন- সদরের পিএমখালী ছনখোলা ইফনুছঘোনা এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে বেদার মিয়া (২৮), পিএমখালী উত্তর তারানিয়াপাড়া সিকদারবাড়ি এলাকার দিল মোহাম্মদের ছেলে মোস্তাক মিয়া (২৪) ও খরুলিয়া এলাকার মৃত রশিদ আহমেদের ছেলে মো. বেলাল উদ্দিন (২২)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামীরা সকলেই গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় এক মেইল বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (আইন এবং গণমাধ্যম) মো. বিল্লাল উদ্দিন।
র্যাব জানান- গত ১৮ আগস্ট রাতে পিএমখালীতে অবস্থিত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে ভিকটিমের সাথে মামলার প্রধান অভিযুক্ত বেদার মিয়ার (২৮) পরিচয় হয়। পরবর্তীতে বেদার মিয়া আরো তিন সহযোগীসহ ভিকটিমকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে কক্সবাজার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউপিস্থ চাঁন্দেরপাড়া এলাকার একটি নির্মানাধীন ভবনের নিচ তলার একটি কক্ষে নিয়ে ভিকটিমের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে ২২ আগস্ট রাতে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা ইউনুছঘোনা এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে বেদার মিয়া (২৮) নামে একজনসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামী করা হয়।
উক্ত গণধর্ষণের বিষয়টি র্যাব অবগত হওয়ার সাথে সাথে উক্ত গণধর্ষণের সাথে জড়িত আসামীদের আটকের নিমিত্তে ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরপর মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) রাতে তাদের আটক করা হয়।
আটক আসামীদের বিরুদ্ধে পূর্বের মামলা মোতাবেক কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান র্যাব।