• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা শিবির : ৬ বছরে খুন ১৬১!

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ১৬৫ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ জুন, ২০২৩

কক্সবাজারের -টেকনাফে ৬ বছরে খুন ১৬১ জন! ক্রমে দেশের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। যত দিন যাচ্ছে রিফিউজি ক্যাম্পগুলি যেন ততই অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে। রোহিঙ্গা শিবিরের পর এবার আধুনিক ভাসানচর ক্যাম্পে গিয়েও খুনোখুনি থামছে না রোহিঙ্গাদের মধ্যে। ২০১৭ সালে মায়ানমারে সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে হাজারে হাজারে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয়ের পর রোহিঙ্গাদের একাংশ ইয়াবা কারবার, অপহরণ, দেহ ব্যবসার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এরপর রয়েছে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এই অবধি খুনোখুনিতে ১৬১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এবার জাহিদ হোসেন (১৫) নামের এক রোহিঙ্গা কিশোর হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই রোহিঙ্গা কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার তাদের আদালতে তোলার পর কারাগারে পাঠানো হয়।

ভাসানচর থানার ওসি মহম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, নিহত জাহিদ ৮ জুন ভাসানচরে নিজের বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।অনেক খোঁজাখুঁজির পরও জাহিদকে না পেয়ে তার স্বজনরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। ১২ জুন ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে তাঁর লাশ উদ্দার হয়।

তদন্তে পুলিশ জাহিদের ব্যবহৃত মোবাইল-সহ আবদুল্লা নামের একজন ব্যক্তিকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দুই কিশোরকে আটক করে।

মায়ানমারের জঙ্গি সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি তথা আরসা-কে মদত দিচ্ছে পাকিস্তানের আইএসআই।

আরসা সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীটির সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টালিজেন্স ও তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির যোগ দীর্ঘদিনের।

২০১৭ সালের আগস্টে আরসা মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই সেখানে সেনা অভিযান শুরু হয়। বাংলাদেশ সরকারের মাথাব্যথা বাড়িয়ে শরণার্থী ক্যাম্পগুলিতে প্রভাব বৃদ্ধি করছে আরসা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন