কক্সবাজারের নাজিরারটেক উপকূলে ট্রলার থেকে ১০ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনের মরদেহ শনাক্ত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। ৪ জনের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ বিস্তারিত
কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ–প্রতিবেশ রক্ষায় নানা উদ্যোগের মধ্যে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এ প্রবাল দ্বীপের অস্তিত্ব নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ১৪ মে ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার উপকূল ছুঁয়ে
কক্সবাজারের টেকনাফে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে মানব পাচার চক্র। ছয়টি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের ২ শতাধিক মানব পাচারকারী এ অবৈধ কাজে জড়িত। এরা বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশু, নারী ও পুরুষ পাচারের জন্য
অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলীয় কয়েকটি এলাকা। তবে মহেশখালীতে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উপড়ে গেছে। কিন্তু মোখার আঘাতে তেমন বড় ধরনের আচড়
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার উপকূল ছেড়ে মিয়ানমারে গিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এরই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কক্সবাজার উপকূলে যে ১০নং মহাবিপদ সংকেত দেয়া হয়েছিল তা তুলে ৩নং স্থানীয় সতর্ক
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। রোববার (১৪ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানে। এ সময় ঘরগুলো আংশিক বা
ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কেটে যাওয়ার পর পরই আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। কক্সবাজারে ২ লাখ ৫০ হাজার আশ্রিত মানুষের মধ্য থেকে সাড়ে ১২ হাজার ইতিমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন। রোববার (১৪ মে)
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজার উপকূলজুড়ে ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছে। এতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় সেন্টমার্টিন। বিধ্বস্ত হয় ১২ শ বাড়িঘর। এই তান্ডবে জেলায় অন্তত ১০ হাজার ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা