• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্থিরতা: বিদেশি সংস্থার সম্পৃক্ততা তদন্ত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৪১ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২১
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি।

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিতে কোনো বিদেশি সংস্থা জড়িত কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার (৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসবের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সবকিছু তদন্তের মাধ্যমে বের করে আপনাদের জানাব। কারা এ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রয়াস পাচ্ছে এবং কোনো বিদেশি সংস্থা এর সঙ্গে জড়িত আছে কি না, সবই আমরা তদন্ত করে দেখছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। আমরা অনেক কিছুই সন্দেহ করছি। তদন্তের পরই আপনাদেরকে জানাব।

তাহলে এটি (মুহিবুল্লাহ হত্যা) বিচ্ছিন্ন ঘটনা কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিকে বিচ্ছিন্ন বলুন, কিংবা উদ্দেশ্যমূলক বলুন, যাই হোক, আমরা তা বের করব।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে রয়েছে। এ ধরনের মারামারি আপনারা আগেও দেখেছেন। আপনারা দেখেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আগেও মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র এসেছে। এ অস্ত্র নিয়ে এবং আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বিভিন্ন গ্রুপে মারামারি দেখা গেছে।

খুন হওয়া আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সোচ্চার ছিলেন বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ওই নেতা মায়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবসময় সোচ্চার ছিলেন। আমরা মনে করি ঘটনাটি তদন্ত করে এর মূল কারণ বের করতে হবে এবং আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, তাকে যারা হত্যা করেছে বলে আমরা মনে করছি, আমরা তাদের শীগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। আমাদের তদন্ত, সবকিছুই খুব দ্রুত চলছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ সংগঠনের কার্যালয়ে অবস্থানকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ। এ ঘটনায় পরদিন রাতে উখিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার বাদী নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ।

১ অক্টোবর দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-৬ থেকে মুহিবুল্লাহ হত্যায় জড়িত সন্দেহে মোহম্মদ সেলিম (৩৩) (প্রকাশ লম্বা সেলিম) নামে একজনকে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গ্রেফতার করে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করে।

২ অক্টোবর ভোর রাতে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জিয়াউর রহমান ও আব্দুস সালাম নামের আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে ১৪ এপিবিএন।

৩ অক্টোবর দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে-৫ এ অভিযান চালিয়ে মো. ইলিয়াস (৩৫) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়।

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কাজ করছিলেন।

 

সূত্র- ঢাকা পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন