• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৭৭ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট:

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই তৈরি হয়েছে আরেক দুর্যোগের আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ এখন অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ধীরগতিতে এগোলেও বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’।

তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব আমাদের দেশে আসুক কিংবা না আসুক সতর্কতামূলক প্রস্তুতিতে বিন্দুমাত্র ছাড় দিচ্ছে না  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ লক্ষ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দশম পদাতিক ডিভিশন কর্তৃক আগাম ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৮ মে) কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার ৩৪টি ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দুর্যোগ মোকাবিলার লক্ষ্যে দিনব্যাপী সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি সেনাক্যাম্পগুলোর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

প্রতিটি ক্যাম্পে সেনাসদস্যদের নেতৃত্বে মাঝি, সাবমাঝি ও স্বেচ্ছাসেবকদের আপদকালীন দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জরুরি প্রয়োজনে উদ্ধার যানসমূহ ও প্রয়োজনীয় উদ্ধার সামগ্রী। এছাড়া জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি এনজিও এবং আইএনজিও সংস্থাগুলোর সঙ্গে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রাক্কালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাঠপর্যায়ে আপদকালীন সময়ের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সেনা ক্যাম্পগুলোতে দফায় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিনিময় করা হয়েছে নিজেদের প্রস্তুতির সর্বশেষ অবস্থা।

জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ থেকে সুরক্ষায় দ্রুততার সঙ্গে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো ও উদ্ধার কার্যক্রমে দেশি, বিদেশি সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, আরআরসি, এনজিও, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সদস্য ও ক্যাম্পে বসবাসরত প্রশিক্ষিত রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণ করে।

রামু সেনানিবাসের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় যে, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আপদকালীন সময়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার যেমন মুড়ি, চিড়া, গুড় ইত্যাদি প্যাকেটজাত করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এরই মধ্যে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো। সেনানিবাস কর্তৃক জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন তথ্যের জন্য রামু সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে এসে কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় পাহাড়ের ওপরে, ঢালে ও সমতলে অস্থায়ীভাবে তৈরি ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস বা পাহাড় ধসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: এনটিভি অনলাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন